শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে, সমাধানও সেখানেই: প্রধানমন্ত্রী দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক-শেহবাজের প্রথম বৈঠক, সম্পর্ক নিয়ে যে বার্তা দিল পাকিস্তান জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন বিরোধী দল পালামেন্টে সুন্দর সুন্দর কথা বলেন বাইরে ৭১ রুপ ধারণ করে : শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সৌদি আরবের নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকে বসছে মক্কা জোট

ক্যানসারের ঝুঁকি লুকিয়ে আছে আপনার রান্নাঘরেই, নিরাপদ থাকতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৬৪ বার

আমাদের রান্নাঘরেই লুকিয়ে থাকতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। পিএফএএস,মাইক্রোপ্লাস্টিক, বিপিএ—এ ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ প্রায়ই রান্নার পাত্র, সংরক্ষণ বাক্স এবং রান্নার বিভিন্ন উপকরণে পাওয়া যায়। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে জানা যায় বিভিন্ন গবেষণা বলছে, এ ধরনের উপাদান শরীরে প্রবেশ করলে তা ক্যানসার, হরমোনজনিত সমস্যা, কিডনি রোগ এবং অন্যান্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। রান্নাঘর থেকে এসব ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে কিছু সহজ পরিবর্তন আনলেই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এখানে তিনটি কার্যকর পদক্ষেপ দেয়া হলো, যা আপনি এখনই নিতে পারেন।
প্লাস্টিক বাদ দিন এবং নিরাপদ উপাদান বেছে নিন: রান্নাঘরের চারপাশে প্লাস্টিক পণ্যের আধিক্য চোখে পড়ে—স্প্যাচুলা, চামচ, সংরক্ষণ বাক্স, পানির বোতল, এমনকি কফি মেকারও প্লাস্টিকের তৈরি হতে পারে। কিন্তু প্লাস্টিক থেকে নির্গত হওয়া বিপিএ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মিশতে পারে, বিশেষত যখন এটি গরম খাবারের সংস্পর্শে আসে।
নিরাপদ বিকল্প হিসেবে কাঠ, বোরোসিলিকেট গ্লাস, স্টেইনলেস স্টিল বা উচ্চমানের সিলিকন ব্যবহার করুন। স্টেইনলেস স্টিলের চামচ, কাঠের স্প্যাচুলা ও গ্লাসের সংরক্ষণ বাক্স বেছে নিলে রান্নার সময় রাসায়নিক দূষণের ঝুঁকি কমে যাবে।
প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড ব্যবহারের ফলে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্যের
সঠিক রান্নার পাত্র ব্যবহার: অনেক জনপ্রিয় নন-স্টিক প্যান এবং সিরামিক ও এনামেল কাস্ট আয়রন পাত্রে বিষাক্ত রাসায়নিক থাকতে পারে। বিশেষত নন-স্টিক প্যানে ব্যবহৃত পিএফএএস শরীরে জমা হয়ে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে। নিরাপদ বিকল্প হিসেবে স্টেইনলেস স্টিল, কাস্ট আয়রন বা উচ্চমানের গ্লাসের পাত্র ব্যবহার করা ভালো। কাস্ট আয়রন প্যান প্রাকৃতিকভাবে নন-স্টিক হয়ে ওঠে, তাই এটি নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী বিকল্প হতে পারে। এছাড়া, বাজারে এমন কিছু ব্র্যান্ড পাওয়া যায় যারা ক্ষতিকর রাসায়নিকবিহীন রান্নার পাত্র তৈরি করে থাকে।
কাঠের কাটিং বোর্ড ব্যবহার: প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড ব্যবহারের ফলে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্যের সঙ্গে মিশে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এ সমস্যা এড়াতে কাঠের কাটিং বোর্ড ব্যবহার করুন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, একক টুকরো কাঠের তৈরি বোর্ড বেছে নিতে হবে, যাতে কোনো ধরনের বিষাক্ত আঠা বা ফরমালডিহাইড না থাকে।
বাঁশের কাটিং বোর্ড অনেকে নিরাপদ মনে করেন, কিন্তু বেশিরভাগ বাঁশের বোর্ড একাধিক টুকরো জোড়া দিয়ে তৈরি হয় এবং এতে থাকা আঠায় ফরমালডিহাইড থাকতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই একক টুকরো কাঠের বোর্ড বেছে নেয়াই সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প।
এই তিনটি সহজ পরিবর্তন আপনার রান্নাঘরকে আরও নিরাপদ করে তুলতে পারে। প্লাস্টিক এড়িয়ে, নিরাপদ রান্নার পাত্র ব্যবহার করে এবং রাসায়নিকমুক্ত কাটিং বোর্ড বেছে নিয়ে আপনি ও আপনার পরিবার সুস্থ থাকতে পারেন। স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি রান্নাঘরের পরিবেশও নিরাপদ রাখা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories