শুক্রবার রাত ৮ টায় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বন্যা জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সভায় সভাপতিত্ব করেন দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, জেলা প্রশাসক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশ সুপার।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আমরা বর্তমানে একটি ক্রান্তিকাল পার করছি। সবাই এক হয়ে কাজ করলে আমারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করার আশ্বাস দেয়। তিনি বলেন বর্তমানে বাংলাদেশে ১৮০০০ কোটি টাকা ঋণ। ব্যাংক লুট করেছে প্যাসিস্ট সরকার, আমারা দেখবো পানি কেনো এসেছে। তারপর ব্যবস্থা নিবো।
বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন ব্যক্তি দোষ দিয়ে লাভ নাই, আমরা সিস্টেম ঠিক করবো। সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। বন্যা পরবর্তী সময়ের জন্য পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে বলে জানান। ত্রান এর সম বন্টন যাতে থাকে সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। ৮ আগস্টের পর রেমিট্যান্স আশা বেড়েছে বলে জানান। অসাধু ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন। বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন বলে জানান।
তিনি বলেন, নোয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চল। এখানকার মানুষ বন্যার সাথে খুব একটা পরিচিত না। তবে উপকূলের প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়ে তারা সচেতন। তাই উদ্ধার কাজে সবার কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। আমরা চাই সবাই মিলে কাজ করবো। অন্যান্য জেলার মানুষ নোয়াখালীতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে এসেছে। আপনারা তাদের সহযোগিতা করবেন।
এর আগে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বেগমগঞ্জের টেকনিক্যাল স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন। তারপর আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ও সরকারি সহায়তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন তিনি।
বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, নোয়াখালী মহোদয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল মৃত ছাত্রভাইদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্মিলিত ভাবে মোকাবেলা করবেন বলে জানান। সকল থানা, ফাঁড়ি পুলিশ কর্মে নিয়োজিত থেকে জনগণের পাশে আছে মর্মে জানান
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: আশরাফ উদ্দিন, নোয়াখালী সদর উপজেলা কর্মকর্তা আঁখি নুর জাহান নীলা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আলম, পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নির্বাহি প্রকৌশলী, সিভিল সার্জন নোয়াখালীর প্রতিনিধি ডাক্তার নাঈমা আক্তার, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক নুরুল করিম। ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাউছার মিয়া, স্কাউট নোয়াখালীর সাধারণ সম্পাদক আহমেদ হোসেন ধনু সহ বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সহ ৮০/৯০ জন ব্যক্তি।
Leave a Reply