বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে : রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম নির্ধারণের চেয়ে বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে: সড়কমন্ত্রী গাজীপুরে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ: ভোগান্তিতে যাত্রীরা গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান গ্রেপ্তার ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬ সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহ ভিত্তিক স্কিম, সংসদে যাচ্ছে বিল

চীনে সদ্য স্নাতক অর্ধেক তরুণই বেকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ৭৩ বার

চীনে চাকরির বাজারে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন নতুন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা। কয়েক বছর আগে দেশটিতে উচ্চ কর্মসংস্থান বজায় থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে অনেকটাই ভাটা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এপ্রিলের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চীনে বর্তমানে অর্ধেকের কম সদ্য স্নাতক চাকরির প্রস্তাব পাচ্ছেন। এক বছর আগে এ হার ছিল অর্ধেকের বেশি। খবর নিক্কেই এশিয়া।
চীনের মানবসম্পদবিষয়ক কোম্পানি ঝাওপিনের পরিসংখ্যান বলছে, এপ্রিলে ৪৮ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারীর জন্য চাকরির সুযোগ ছিল। অর্থাৎ, অর্ধেকের বেশি স্নাতককে দেয়ার মতো চাকরি নেই শ্রমবাজারে। এক বছর আগে চাকরির বাজারে এ তরুণদের জন্য সুযোগ ছিল ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ।
কভিড-১৯ মহামারীর আগে সদ্য স্নাতক নিয়োগের পরিস্থিতি ছিল প্রায় উল্টো। এ বিষয়ে ঝাওপিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালেও নতুন স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশের চাকরির সুযোগ ছিল। অর্থাৎ, মহামারী শুরুর পর থেকে এ হার কমতে থাকে।
চীনে সদ্য স্নাতক করা শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি চাকরি হয় প্রযুক্তি ও আবাসন খাত এবং বেসরকারি স্কুলগুলোয়। কিন্তু কয়েক বছরে এসব খাতে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান চালায় চীন সরকার। এ অভিযানের কারণে খাতগুলো লোকবল নিয়োগ কমিয়ে দেয়, যার প্রভাব পড়ে চাকরির বাজারে।
কয়েক বছর আগেও চীনে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে আবাসন খাত। ধারণা করা হয়েছিল, কভিড-১৯-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে এর ব্যাপকতা বাড়বে। কিন্তু একাধিক বড় কোম্পানির পতন খাতটিকে একদম নড়বড়ে করে দিয়েছে। এছাড়া ভোক্তা চাহিদার পতন ও মূল্যস্ফীতি মিলিয়ে দেশটির অর্থনীতি এখনো পুরোপুরি প্রাক-কভিড অবস্থায় ফেরেনি। যার প্রভাব পড়েছে চাকরির বাজারে।
ঝাওপিনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বেশকিছু কোম্পানির জনবল কমানোর উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। এ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯-২৩ সালের মধ্যে প্রায় নয় হাজার লোকবল কমিয়েছে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘এসএআইসি মোটর’। ২ হাজার ৬০০ কর্মী কমিয়েছে ‘দংফেং মোটর’।
সুযোগ কমে আসায় তরুণদের মধ্যে বেসরকারি খাতে চাকরির আগ্রহ কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে মাত্র ১৩ শতাংশ চাকরিপ্রত্যাশী বেসরকারি খাতে কাজ করতে চান। ২০২০ সালে এ হার ছিল ২৫ শতাংশ। ঝাওপিনের হিসাবে, সরকারি চাকরির প্রতি তরুণদের ঝোঁক বাড়ছে

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories