শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

গণতন্ত্রকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল বিএনপি : কাদের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ৭১ বার

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি গণতন্ত্রের নামে কারফিউ গণতন্ত্র চালু করেছিল। বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা যারা বলে তাদের গণতন্ত্র ছিল হ্যাঁ/না ভোট। গণতন্ত্রকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল বিএনপি। তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি মানায় না।
শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে গণতন্ত্রের জন্য কঙ্গো, হাইতি, রুয়ান্ডাকে জবাবদিহি করতে হয় না, প্রশ্ন করে না। আমরা নির্বাচন নিয়মিত করে আসছি। পার্ফেক্ট ডেমোক্রেসি কোথাও নাই। তবে পার্ফেক্ট হওয়ার কাছাকাছি। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক, এটা আমরা প্রমাণ করেছি।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের নির্বাচনসহ বিশ্বের ৬৪টি দেশে নির্বাচন হবে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরে, জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যেতে, ভারতে নির্বাচন শেষ প্রায়।
সেতুমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে যারা নিজেদের কে গণতন্ত্র মানবাধিকারের প্রবক্তা বলে দাবি করেন, রাফায় একটা অফেনসিভে ৪৫ জনকে একদিনের মেরে ফেলা হয়েছে। সারা দুনিয়া এমন কি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কনডেম করল। সেখানে যদি মানবতার প্রবক্তাদের থেকে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, রাফায় এখনো রেডলাইন অতিক্রম করেনি। তাহলে মানবাধিকার কোথায়
ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার নির্বিকার নয়। আমি মন্ত্রী, আমি যদি কোনো দুর্নীতি করি সেটা কি বি না বিচারে শেষ হয়ে যাবে? প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে। প্রধানমন্ত্রী অফিসের কিছু লোককেও শাস্তি দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার আমলে তারা কি কাউকে শাস্তি দিয়েছিল? তখন প্রধানমন্ত্রীর অফিস ছিল দুর্নীতি আখড়া।
তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করবে কি না, সেটি আদালত দেখবে। তার বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে আমরা অবগত নই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুর নাহার চাঁপা, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories