শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আজ শরিকদের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪
  • ৮৯ বার

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মত ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে এ সভা।
আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সভায় সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোট নেত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
বিগত দুই মেয়াদে সরকারে থাকাবস্থায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছিল ১৪ দলের শরিকদের। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আরও প্রকট আকার ধারণ করে রেষারেষি। বিশেষ করে কম আসনে ছাড়, সরকারে না রাখা, কর্মসূচি ও বৈঠক না হওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্ষুব্ধ শরিক দলের অনেক নেতা। কেউ কেউ প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে। এমন প্রেক্ষাপটে জোটের শরিক দলগুলোর নেতাদের নিজ বাসভবনে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী; যেখানে ঘুরেফিরেই আসছে ১৪ দলের অস্তিত্বের প্রশ্নটি।
সবশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ১৪ দলের নেতারা। ওই বৈঠকে জোটবদ্ধ নির্বাচন এবং আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১৬টি আসন ছাড়লেও এবার কমিয়ে মাত্র ছয়টি আসন ছাড়া হয় শরিকদের জন্য। এতে ক্ষুব্ধ হন জোটনেতারা। এছাড়া শরিকদের আপত্তি সত্ত্বেও ছেড়ে দেওয়া আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সরাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি আওয়ামী লীগ। ফলে ছয়টির মধ্যে মাত্র দুটি আসনে জেতেন শরিক দলের নেতারা। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগ গঠিত সরকারেও রাখা হয়নি শরিক দলের কাউকে।
শরিক নেতাদের অনেকেই বলছেন, তারা প্রাপ্য সম্মান চান। অবহেলার পাত্র হয়ে থাকতে চান না। জোটের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, এ বিষয়ে নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগের কাছ থেকে পরিষ্কার অবস্থানের কথা জানতে চান তারা। ফলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জোটের প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বলেন, তা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। এরপরই তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবেন।
এদিকে জোটনেত্রীর সঙ্গে বসার একদিন আগে মঙ্গলবার ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বাসভবনে বৈঠক করেছেন শরিক দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কী বলবেন, সে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করেছেন তারা।
আসন্ন বৈঠকের ব্যাপারে রাশেদ খান মেনন বলেন, জোটনেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ডেকেছেন। আগে শুনি তিনি কী বলেন। তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আলোচনা করব। যদি তিনি ১৪ দলের জোটকে রাখতে চান, তখন আমরা আলোচনা করব, তিনি কীভাবে রাখবেন। যেভাবে ১৪ দলীয় জোট আছে, সত্যিকার অর্থে এটা কোনো কাজে লাগবে না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যদি আমাদের মিলে, তা হলে জোট থাকবে। আর সেটি না হলে তখন সিদ্ধান্ত হবে জোট থাকবে কি না।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories