শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ নিয়ে বিএনপির বক্তব্য আইন বিরুদ্ধ: ড. হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ১২৮ বার

সংগৃহীত ছবি
কেউ একবারের বেশি জন্মাতে পারে না। তাই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা নিয়ে বক্তব্য দিয়ে বিএনপি আইন বিরুদ্ধ কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে এ নিয়ে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক নিয়মে একজন একবারের বেশি জন্মাতে পারে না। কারো জন্ম তারিখও একটির বেশি হতে পারে না। শুধুমাত্র ১৫ আগস্টের শোকাবহ দিনকে অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্যই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ পাল্টানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আদালত নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য আইনের প্রতি অশ্রদ্ধার সামিল।

বেগম জিয়ার পাসপোর্ট ও করোনা টেস্ট রিপোর্টে তার জন্মতারিখের চিত্র নিজের আইপ্যাড থেকে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, মেট্রিক পরীক্ষার ফরমে খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। আবার তার বিবাহ সনদে জন্মের তারিখ উল্লেখ আছে ৫ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। ১৯৯১ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তখন সরকারি নথিতে তার জন্মতারিখ উল্লেখ আছে ১৯ আগস্ট ১৯৪৭ সাল। আর বর্তমানে যে পাসপোর্ট তিনি ব্যবহার করছেন সেখানে তার জন্মতারিখ উরেøখ আছে ৫ আগস্ট ১৯৪৬ সাল। এবং অতি সম্প্রতি তিনি যে করোনার টেস্ট করেছেন, সেখানে তার জন্মের তারিখ উল্লেখ আছে ৮ মে ১৯৪৬ সাল। ক’টি জন্ম তারিখ হলো!’

‘কোনো সরকারি নথিতে কোনো জায়গায় বেগম খালেদা জিয়ার জন্মের তারিখ ১৫ আগস্ট উল্লেখ নাই, অথচ বিএনপি’র পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ বলে ১৫ আগস্ট কেক কাটা হয়’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ১৫ আগস্ট কেক কাটা হয় সেদিনের হত্যাকান্ডকে সমর্থন করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য, ১৫ আগস্টের এই মর্মান্তিক ঘটনাকে উপহাস করার জন্য।’

‘আসলে মির্জা ফখরুল সাহেবরা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মের তারিখ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন এবং তারা আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন, আদালতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন’ বলেন ড. হাছান। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষের পাঁচটা জন্মতারিখ হওয়া মানে তার জন্মের তারিখ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা, এটা তারাই করেছেন। সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্বপ্রণোদিতভাবে এই বিষয়টি বলেনি। আদালত নির্দেশনা দিয়েছে বিধায় সরকারকে আদালতে সমস্ততথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ হাইকোর্টের রুলের পর বেগম জিয়ার এতোগুলো জন্মতারিখের কারণে মানুষের কাছে উপহাসের পাত্র হয়ে তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে বলে তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যে বক্তব্য রেখেছেন সেগুলো হাইকোর্টের প্রতি, আইন-আদালতের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের মতোই। সেখানে তিনি কিছু আপত্তিকর কথাও বলেছেন, তিনি বলেছেন, ‘একটি নির্দিষ্ট দিনে কেউ জন্ম নিতে পারবে না এটা বলে দিলেই হয়’, যা প্রচন্ড আপত্তিকর। মহান শ্রষ্টা ঠিক করেন কে কোনদিন জন্মগ্রহণ করবেন।’

‘এভাবে জন্মের তারিখ বদলে দিয়ে ভুয়া জন্মদিন পালন কোনো মানুষের ক্ষেত্রেই হওয়া উচিত নয় এবং যদি ইউরোপে কোনো রাজনীতিবিদের এ ধরণের কয়েকটি জন্মতারিখ হতো, তিনি রাজনীতিতেই অযোগ্য ঘোষিত হতেন, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে মামলা হতো’ জানিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘আমি মহামান্য হাইকোর্টকে ধন্যবাদ জানাই এই বিষয়ে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সেই সমস্ত তথ্য উপাত্ত চেয়ে পাঠানোর জন্য।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories