শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

থাইল্যান্ড সীমান্তে বিদ্রোহীদের দখলে জান্তার ঘাঁটি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪
  • ৭৫ বার

থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে মায়াবতী শহরে জান্তার একটি কার্যালয় ও থানা দখল করে নিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (কেএনএলএ) ও তাদের সহযোগীরা।
এদিকে, শনিবার মায়াবতী শহরের থিঙ্গানিনাউঙ্গ অঞ্চলে জান্তার ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন ৩৫৫ এর পতন হয়।
কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের সামরিক শাখা কেএনএলএ ও তাদের মিত্ররা গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে থিঙ্গানিনাউঙ্গে আক্রমণ শুরু করে। শনিবার নাগাদ জান্তা বাহিনীর ওই ঘাঁটি ও থানার পতন ঘটে।
ব্যাংককভিত্তিক মিয়ানমারের সংবাদ সংস্থা ইরাবতী জানিয়েছে, থাইল্যান্ডে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এশিয়া হাইওয়েতে মায়াবতী ও কাওকারেইক শহরের সীমান্তের মধ্যে থিঙ্গানিনাউঙ্গ অবস্থিত।
এখানকার ঘাঁটির পতনের পর কেএনএলএ পাশের ৩৫৬ ও ৩৫৭ নম্বর ঘাঁটিতে হামলা শুরু করেছে। অন্যদিকে, জান্তার পক্ষ থেকে কেএনএলএকে রুখতে বিমান ও গোলা হামলা করা হচ্ছে।
কেএনএলএর এক প্রতিরোধযোদ্ধা বলেন, ‘আমরা ৩৫৬ নম্বর ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছি। সেখানকার অধিকাংশ সেনা পালিয়ে গেছে। অল্প কিছু সেনা সেখানে অবস্থান করছে। ৩৫৫ ও ৩৫৬ ঘাঁটির সেনারা হামলা রোধে ৩৫৭ নম্বর ঘাঁটিতে যোগ দিয়েছে।
তিন দিন ধরে চলা লড়াইয়ে ১০০টির বেশি বোমা হামলা করেছে জান্তা বাহিনী। এ হামলায় ৬০টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গত শুক্রবার বোমা হামলার পর সেখানকার অধিকাংশ লোকজন পালিয়ে গেছেন। নিজেদের জিনিসপত্র রক্ষায় ৬০ জনের মতো সেখানে অবস্থান করছেন। থিঙ্গানিনাউঙ্গে প্রায় ৭ হাজার মানুষ বাস করেন। তাদের অধিকাংশ মায়াবতী শহর বা আশপাশের গ্রামগুলোতে পালিয়ে গেছেন।
শুক্রবার জান্তার বিমান হামলায় নাই নুয়াং গ্রামের দুজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। গত শনিবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পাঁচজন মারা গেছেন। কিন্তু, জান্তা সেনার হতাহতের সংখ্যা জানা যায়নি।
মিয়ানমারের মানবাধিকার সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশটিতে জান্তার হামলায় ৪ হাজার ৬৫৪ জন নিহত হয়েছেন। তাদের হাতে আটক হয়েছেন ২৬ হাজার ২২৮ জন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories