শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

হলে এনে নির্যাতন, ঢাবির ৩ ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৮৮ বার

ব্যবসায়ী ও তার বন্ধুকে বাসা থেকে তুলে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ নেতাসহ ৪ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা অপহরণের মামলায় আদালত এ আদেশ দেন।
অভিযুক্তরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসান সাঈদি, মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের উপপ্রচার সম্পাদক মোনতাছির হোসাইন ও তার আত্মীয় মো. শাহাবুদ্দীন এবং ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক উপসম্পাদক আল শাহরিয়ার মাহমুদ ওরফে তানসেন।
জানা গেছে, আবদুল জলিল নামের এক ব্যক্তি ব্যবসার কথা বলে মোনতাছির হোসাইনের আত্মীয় মো. শাহাবুদ্দীনের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি টাকা ফেরত দিতে দেরি করায় ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শাহাবুদ্দীন তিন ছাত্রলীগ নেতাসহ ১০-১২ জনকে নিয়ে আবদুল জলিল ও তার বন্ধু হেফাজ উদ্দীনকে হাতিরঝিলের হাজীপাড়ার বাসা থেকে তুলে এনে বিজয় একাত্তর হলে রাখে। এরপর হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে আটকে রাখেন। আব্দুল জলিলের পরিবার মামলা দায়ের করার পর শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় পুলিশের অভিযানে মুহসীন হলের ৫৪৪ নম্বর কক্ষ থেকে অপহৃত দুজনকে উদ্ধার করা হয়।
হলের ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসুদুর রহমান বিদেশে থাকায় হল প্রশাসন এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। মঙ্গলবার তিনি দেশে ফিরলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় শবে বরাত উপলক্ষে ছুটি এবং প্রাধ্যক্ষ স্যার কালই ফিরবেন, তাই আমরা অপেক্ষা করছি। যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার উনি আসার পরেই নেবেন।
তবে সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তিন ছাত্রের মধ্যে দুজনের কোনো আবাসিকত্ব নেই। ফলে হল প্রশাসনের পক্ষে কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে না।
প্রক্টর অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান বলেন, ওই তিন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হল থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া আগামী ডিসিপ্লিন বোর্ডের সভায় তাদের বিষয়টি উত্থাপিত হবে। সেখানে তাদেরকে অ্যাকাডেমিক বহিষ্কার করা হতে পারে অথবা অন্য শাস্তি দেওয়া হবে। আমরা বারবার বলছি- এসব বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা-বহির্ভূতকাজে জড়িত থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবেই।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories