শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

পাপুয়া নিউ গিনিতে উপজাতীয় সংঘাতে নিহত ৬৪

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৭৯ বার

পাপুয়া নিউ গিনির প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে উপজাতিদের মধ্যে সংঘাতে অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির পুলিশ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানায় সপ্তাহান্তে এনগা প্রদেশে উপজাতীয় বিরোধে গুলি করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। রাজধানী পোর্ট মোরেসবি থেকে প্রায় ছয়শ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ওয়াবাগ শহরের কাছে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ গুলো উদ্ধার করতে শুরু করেছে।
ওই পার্বত্য অঞ্চলটিতে দীর্ঘদিন ধরে উপজাতিদের মধ্যে সহিংস লড়াই চলছে, কিন্তু এই হত্যাকাণ্ড সাম্প্রতিক বছর গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ। অঞ্চলটিতে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের সহজলভ্যতা সংঘর্ষকে আরও মারাত্মক করে তুলেছে। রয়্যাল পাপুয়া নিউ গিনি কনস্ট্যাবুলারির ভারপ্রাপ্ত সুপার জর্জ কাকাস বলেছেন, এটি এনগা এবং সম্ভবত সমস্ত পার্বত্য অঞ্চলে আমার দেখা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হত্যাকাণ্ড। আমরা সবাই বিধ্বস্ত, আমরা সবাই মানসিকভাবে চাপে আছি।
পুলিশ ঘটনাস্থলের কিছু ভিডিও সংগ্রহ করেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি ট্রাকে লাশ বোঝাই করা হচ্ছে।
অঞ্চলটির উপজাতি গুলোর মধ্যে জমি এবং সম্পদের বণ্টন নিয়ে প্রায়শই সংঘর্ষ হয়। এমনি এক সংঘর্ষের জেরে গত জুলাইয়ে এনগাতে তিন মাসের লকডাউন দেওয়া হয়। যে সময়টাতে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশকে কারফিউ জারি করতে হয়। আগস্টে তিনটি লাশের ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পরলে এই সংঘর্ষ আন্তর্জাতিক শিরনাম হয়ে পড়ে।
অঞ্চলটির গভর্নর পিটার ইপাটাস বলেছেন, আঞ্চলিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে আমরা জানতাম এই লড়াইটি হতে চলেছে, ১৭টি উপজাতি এই সংঘর্ষে জড়িয়েছে, এই হামলার লক্ষণ আগেই দেখা গিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলোর দায়িত্ব ছিল গত সপ্তাহে যথাযত ব্যবস্থা নিয়ে সংঘর্ষ প্রতিরোধ করা এবং শান্তি বজায় রাখা। জননিরাপত্তার বিষয়টি পাপুয়া নিউ গিনির জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে গত মাসেও বড় ধরনের দাঙ্গা ও লুটপাটে অন্তত ১৫ জন নিহত হওয়ার পর সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে হয়েছিল।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories