শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি বাস্তবায়নের আহ্বান ইউজিসির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৮৯ বার

পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।
বুধবার ইউজিসি অডিটোরিয়ামে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ডি-নথি বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা এবং সমাধানে করণীয় শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণা নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে নেতৃত্ব দিতে হবে। পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে সকলকে তৎপর হতে হবে। প্রযুক্তির সহায়তায় দাপ্তরিক কাজ দ্রুত, স্বচ্ছ, ও কার্যকরভাবে সম্পাদন করতে হবে। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। ডি–নথি বাস্তবায়নে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তরিক হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, ২০২৬ সাল থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। ডি- নথি এপিএ’র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। যেসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এপিএ চুক্তি বাস্তবায়নে অনীহা দেখাবে, তাদের বাজেট বরাদ্দও কমে যেতে পারে বলে আশঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন।।
তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ডি–নথি কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং বিভাগের পরিচালক ড. মো. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া- এর সভাপতিত্বে ও উপপরিচালক মো. মনির উল্লাহ- এর সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ডি–নথি বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ডি-নথি ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোন স্থান থেকে ফাইল নিষ্পত্তি করা যায়। ফলে কোথাও ফাইল আটকে থাকে না, দাপ্তরিক কাজে গতি বাড়ে। এতে কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়ায় অনিয়মের সুযোগ কমে যায়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories