শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

বিদ্রোহীদের হামলায় ভারতে পালালো মিয়ানমারের ৬০০ সেনা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৭২ বার

মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও জান্তা সরকারের মধ্যে সংঘর্ষ ক্রমে বেড়েই চলছে। তবে আরাকান আর্মির (এএ) হামলায় টিকতে না পেরে পালিয়ে ভারতের মিজোরাম রাজ্যে ঢুকছে দেশটির জান্তাবাহিনীর শত শত সেনা। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায়, কেন্দ্রীয় সরকারকে অবগত করে মিয়ানমার জান্তা সদস্যদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর তাগিদ দিয়েছে মিজোরাম সরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রায় ৬০০ সদস্য সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। আরাকান আর্মি হামলা চালিয়ে জান্তা বাহিনীর ক্যাম্পগুলো দখল করায় জান্তা সদস্যরা পালিয়ে মিজোরামের লংটলাই জেলায় আশ্রয় নিয়েছে। মিজোরাম সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, মিয়ানমারের এসব সেনাকে আসাম রাইফেলসের একটি ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে জরুরিভিত্তিতে কথা বলেছেন মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা। জানা যায়, মিয়ানমারের আশ্রিত এসব সেনাকে দ্রুত তাদের নিজ দেশে পাঠানোর ব্যাপারে তাগিদ দেয়া হচ্ছে। অতিসত্বর সেনাদের দেশে পাঠাতে না পারলে মিজোরামের পরিস্থিতি অবনতির আশংকা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেন মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা।
তিনি জানান, সেনারা মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে আশ্রয়ের জন্য পালিয়ে আসছে, আমরা মানবিক কারণে তাদের সাহায্য করছি। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫০ সেনা সদস্যকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
উত্তর মিয়ানমারের তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মির (এএ) সমন্বয়ে গঠিত ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ গত বছরের অক্টোবর থেকে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত লড়াই শুরু করে। এরপর থেকেই বেকায়দায় দেশটির জান্তা সরকার।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এরপর থেকেই গণতন্ত্রপন্থিদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে তাদের। তবে গত অক্টোবরের শেষের দিকে তিনটি জাতিগত সংখ্যালঘু বাহিনী সমন্বিত আক্রমণ শুরু করলে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে জান্তা সরকার।
এরই মধ্যে বেশ কিছু শহর ও সামরিক পোস্ট দখল করেছে বিদ্রোহীরা এবং এর ফলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে মিয়ানমারের সৈন্যরা।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories