শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আবারও উত্তপ্ত মণিপুরে গুলিতে নিহত ৪

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৮৩ বার

নতুন বছরের শুরুতেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর। রাজ্যটিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার জেরে মণিপুরের পাঁচ জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং মন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক করেন।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বছরের প্রথম দিনে মণিপুরে নতুন করে সহিংসতায় চারজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে রাজ্যের পাঁচটি জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।
থাউবাল জেলার স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, একদল পুরুষ চাঁদাবাজির জন্য স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে এসেছিল। যদিও তাদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। তবে হামলার ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বন্দুকধারীদের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেছেন, ‘দলটি বন্দুক নিয়ে এখানে এসেছিল এবং একজন লোকের সাথে কথা বলার সময় – যাকে তারা চেনে বলে মনে হয় – মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা সবাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে।’
এদিকে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং ভিডিও বার্তায় সহিংসতার নিন্দা করেছেন এবং জনগণকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, ‘নিরাপরাধ মানুষকে হত্যার ঘটনায় আমি আমার অপরিসীম দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলোকে একত্রিত করেছি। আমি হাত জোড় করে লিলং (যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে) বাসিন্দাদের কাছে অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করার জন্য আবেদন করছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি- সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য তার ক্ষমতার সব কিছু করবে।’
এ ছাড়া সহিংসতার ঘটনার পর সমস্ত মন্ত্রী এবং শাসক দলের বিধায়কদের নিয়ে জরুরি বৈঠকও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। এনডিটিভি বলছে, নতুন করে হওয়া এই সহিংসতার পরে থাউবাল, ইম্ফল পূর্ব ও ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং এবং বিষ্ণুপুর জেলায় পুনরায় কারফিউ জারি করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দুই দিন আগে মণিপুরের সীমান্ত শহর মোরেহতে সন্দেহভাজন বিদ্রোহী এবং পুলিশ কমান্ডোদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য আহত হয়েছিলেন। বিদ্রোহীরা বেশ কয়েকটি আরপিজি নিক্ষেপ করে যা মোরেহের তুরেলওয়াংমা লেইকাইয়ের সিডিও ফাঁড়ি ভবনের ভেতরে বিস্ফোরিত হয়। আর সেখানেই কমান্ডোরা অবস্থান করছিলেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories