শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় সিপিডির কাছে জানতে চান কাদের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭৯ বার

ব্যাংক লোপাট নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এই ৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল, সেটা একটু জানতে চাই। এই টাকাগুলো কোথায় আছে?
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সিপিডির গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গত ১৫ বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা অর্থনৈতিক খাতে লুটপাট হয়েছে। গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের অবস্থান কী? জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার জবাবে একটাই, এই ৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল, সেটা একটু জানতে চাই। এই টাকাগুলো কোথায় আছে? সন্ধান দিলে তখন আমরা জবাব দেব। আমাদের জানা নেই।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ২৪ বড় ধরনের ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকার বেশি লোপাট হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে তথ্য তুলে ধরে সিপিডি। এছাড়াও প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে যে সংকট চলছে, এর আগে একসঙ্গে এত চ্যালেঞ্জে পড়েনি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি। অর্থনীতি ক্রমেই ভঙ্গুর থেকে ভঙ্গুরতর হচ্ছে। কমছে রাজস্ব আয়। ব্যাংকিং খাত আরও দুর্বল হচ্ছে। বাড়ছে মূল্যস্ফীতি। পাঁচ বছরে জিনিসপত্রের দাম ৯ শতাংশ থেকে শুরু করে ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়াও শ্রম ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। এ অবস্থায় এ খাতে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বৈদেশিক বাণিজ্য ও রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সংস্থাটির মতে, অর্থনীতির সংকট সমাধানে বড় ধরনের সংস্কার দরকার।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories