শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ফজলে হাসান আবেদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭৮ বার

বিশ্বের অন্যতম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২০ ডিসেম্বর। ২০১৯ সালের এইদিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকা শাল্লায় ফিরে আসা শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য ৩৬ বছর বয়সে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। পরবর্তীতে অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ও কর্মসূচি সম্প্রসারিত করে ব্র্যাক।
কুটির শিল্প, ক্ষুদ্রঋণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, মানবাধিকার, সড়ক নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং নগর উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। সংস্থাটি বিশ্বের ১০টি দেশে উন্নয়নমূলক কাজ করছে। বিশ্বের শীর্ষ এনজিওর স্বীকৃতিও অর্জন করেছে এ সংস্থা।
স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্বপ্ন এবং দর্শনের পথ ধরে বিকশিত ব্র্যাক আজ শিখর ছুঁয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সামাজিক ব্যবসাসহ নানামুখী উদ্যোগ।
ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭ এপ্রিল সিলেটের হবিগঞ্জ মহাকুমার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লন্ডনে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে পড়ালেখা করেন। ১৯৬২ সালে ‘কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট’ হিসাবে উত্তীর্ণ হন।
পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানিতে সিনিয়র কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত থাকাকালে ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ তার জীবনের মোড় সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি চাকরি ছেড়ে লন্ডনে চলে যান।
সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ এবং ‘হেলপ বাংলাদেশ’ নামে দুটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর ১৯৭২ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ভারত-প্রত্যাগত শরণার্থীদের জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
অনন্য অবদানের জন্য স্যার ফজলে হাসান আবেদ অসংখ্য পুরস্কার ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অশোকা স্যার ফজলে হাসান আবেদকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তিনি ২০১০ সালে ব্রিটেনের রানির নাইটহুড মর্যাদা লাভ করেন। ২০১৯ সালে নেদারল্যান্ডসের রাজাও তাঁকে নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করেন।
এ ছাড়া ২০১৪ ও ২০১৭ সালে ফরচুন ম্যাগাজিনের বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী ৫০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় ছিলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories