বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কমিটি গঠনই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: চীফ হুইপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত শিবগঞ্জে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের হুইল চেয়ার, ছাত্রীদের বাইসাইকেল ও শিক্ষার্থীদের গাছের চারা বিতরণ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে ১৭ কর্মকর্তার রদবদল এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের মেয়াদ ১ বছর বাড়িয়েছে সরকার ওয়াসার এমডি থেকে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটউটের ডিজি আমিনুল সাভারে এক নারীসহ ৩জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ বাজারমুখী মিশন, বিশ্বমঞ্চে মালয়েশিয়া’ স্লোগানে কুয়ালালামপুরে নাইস এক্সপো ২০২৬ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

করোনায় মৃতদের পোঁড়ানো ছাঁই দিয়ে শ্মশানেই পার্ক তৈরি করছে ভারত?

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৭০ বার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই ভারতজুড়ে শুরু হয় মৃত্যু মিছিল। শ্মাশানে উপচে পড়ে ভিড়। হাজার হাজার লাশ চিতায় পুড়তে দেখে ভারতবাসী। সরকারিভাবে ঘোষিত পরিসংখ্যানের চেয়ে “ঢের গুণ বেশি ছিল লাশের সংখ্যা”। শ্মশানে জায়গা না মেলায়, একাধিক জায়গায় খালি মাঠ, নদীর ধার, পার্কিংয়ের জায়গাকে অস্থায়ী শ্মশান বানানো হয়। ছাঁইয়ে ভরে যায় শ্মশানের মাটি। পরিবার প্রিয়জনের শরীরের ছাইটুকুও সংগ্রহ করতে পারেনি। এবার সেই ছাঁই দিয়ে শ্মশানের ভেতরই পার্ক বানানোর উদ্যোগ নিল দেশটির মধ্যপ্রদেশের ভোপাল নগর কর্তৃপক্ষ।

ভোপালের বাধবাধা বিশ্রাম ঘাটে সেই ছাঁই জড়ো করা হয়েছে। প্রায় ২১টি ট্রাক ভর্তি করে ছাই সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই ছাঁই ফেলে পার্কের জমি মজবুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার স্কয়ার ফুটের মধ্যে তৈরি হচ্ছে সেই পার্ক।কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত? 

যে ছাঁই স্তুপাকার হয়ে শ্মশানে রয়েছে, সেই ছাই কোথায় ফেলা হবে তা নিয়ে প্রথমে প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু, যেখানেই ফেলা হোক না কেন, পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে উঠবে। নর্মদা নদীতে ফেললে নদী নোংরা হবে। পাশাপাশি কোথাও জমা হয়ে গেলে পলির সৃষ্টি হবে। নদীর গতিপথ ব্যাহত হতে পারে। তাই জাপানের মিয়াওয়াকি পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

শ্মশানঘাটের ম্যানেজমেন্ট কমিটির প্রধান মমতেশ শর্মা জানিয়েছেন, ছাঁই ফেলার পর তাতে গোবর, কাঠের গুড়া, বালি মিশিয়ে মাটি তৈরি করা হবে। এরপর প্রায় ৪ হাজারের বেশি গাছ লাগানো হবে। এই সিদ্ধান্তের কথা শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে আসা পরিবারগুলোকে জানানো হয়েছে। তারা নিজের মৃত পরিবারের সদস্যের নামে গাছ লাগাতে পারেন। ইচ্ছুক সদস্যরা পার্কে গাছের দেখভাল করতে পারবেন। এতে তাদের একটা অনুভূতিও জড়িয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: জিনিউজ

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories