শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

প্রসেনজিৎ-এর দেহরক্ষী রাম সিংয়ের বেতন কত জানেন?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৩ বার

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যখন স্টারডমের গোড়ার দিকে , সেই সময় তার কোনো বডিগার্ড ছিল না। এমনকি দীর্ঘদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাসে করে রাসবিহারী অ্যাভিনিউ আসার পর সেখান থেকে ট‍্যাক্সিতে টালিগঞ্জের স্টুডিওয় আসতেন প্রসেনজিৎ। সেই সময় তাঁর উপার্জিত অর্থে চলত পরিবারের খরচ। ফলে ছিল না গাড়ি কেনার টাকা। তবে সময় যত এগিয়েছে, ততই প্রসেনজিৎ-এর জীবনে এসেছে পরিবর্তন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে গ্রামে ও শহরে সমানভাবে জনপ্রিয় প্রসেনজিৎ। শুধুমাত্র ‘মাস ফিল্ম’ নয়, অন্য ঘরানার ফিল্মেও প্রসেনজিৎ-এর যাতায়াত অবাধ। জনপ্রিয়তা বাড়ার ফলে সহজেই মবড হয়ে যান প্রসেনজিৎ। এই কারণে তাঁকে রাখতে হয়েছে নিজস্ব বডিগার্ড। সাধারণতঃ এই ধরনের বডিগার্ডদের বাউন্সার বলা হয়। তবে প্রসেনজিৎ-এর এই ছায়াসঙ্গীও যথেষ্ট নজরকাড়া।
বিগত পনের বছর ধরে এই মানুষটি রক্ষা করছেন প্রসেনজিৎ-কে। একরকম তারকার পরিবারের সদস্য হয়ে গিয়েছেন প্রসেনজিৎ-এর বডিগার্ড রাম সিং। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার এই যুবক নিজের কাজে যথেষ্ট দক্ষ হলেও বিনয়ী। মাত্র বারো বছর বয়সে অযোধ্যার বাসিন্দা রাম বাবার সাথে চলে এসেছিলেন কলকাতায়। সেই সময় থেকেই যথেষ্ট স্বাস্থ্যবান ছিলেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সমস্যার কারণে রাম পড়াশোনা করতে করতেই বাউন্সারের কাজে যোগদান করেন। প্রথম উপার্জন ছিল মাত্র দেড়শো টাকা। শাহরুখ খানের একটি ইভেন্টে বাউন্সার হিসাবে কাজ করে এই অর্থ উপার্জন করেছিলেন রাম। শাহরুখের সাথে দেখা করার ইচ্ছা থাকলেও তা হয়ে ওঠেনি। তবে সেদিন উপার্জিত দেড়শো টাকা থেকে মায়ের হাতে একশো টাকা তুলে দিয়েছিলেন রাম।
এরপর টলিউডে বিভিন্ন ইভেন্টে কাজ করতে শুরু করেন তিনি। কর্মসূত্রে দেবের সাথে পরিচয় হয় তার। লাগাতার দুই বছর দেবের সাথে কাজ করার পর রাম কাজ পান প্রসেনজিৎ-এর কাছে। দীর্ঘদিন পনের বছর কেটে গেছে ‘স্যারজী’ ওরফে প্রসেনজিৎ-এর সাথে। ব্যস্ত তারকার সাথে তাঁর ছায়াসঙ্গীও সমান ব্যস্ত। ফলে অনতিদূরে বাটানগরে রামের পরিবার থাকলেও যথেষ্ট কম সময় তাঁদের দিতে পারেন রাম। পরিবারে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ও একমাত্র পুত্রসন্তান।
শোনা যায়, প্রসেনজিৎ-এর বডিগার্ড হিসাবে রামের বেতন বার্ষিক আশি লক্ষ টাকা। তবে শুধুমাত্র বডিগার্ড নয়, প্রসেনজিৎ অভিনীত ‘জ্যেষ্ঠ পুত্র’-এ রাম অভিনয় করেছিলেন দেহরক্ষী রাজুর ভূমিকায়। ভবিষ্যতে এই ধরনের আকর্ষণীয় প্রস্তাব পেলে আবারও ক্যামেরার সামনে আসতে চান রাম।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories