বাংলাদেশ-ভারতসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। বলা যায়, এই ধরনটি এশিয়ার ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি ইউরোপে ছড়িয়ে পড়লেও এখনো সর্বগ্রাসী রূপ নিতে পারেনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট আস্ফালন চালাতে পারে ইউরোপেও।
সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক হ্যান্স ক্লুজ বলেন, ইউরোপে গা-ছাড়া ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। টিকাদান কর্মসূটির গতি কমে আসছে। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ বাড়ছে ব্যাপক হারে। এই অবস্থা ইউরোপকে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যদি এখনই সতর্ক না হয় তাহলে অপেক্ষা করছে সংক্রমণের শক্তিশালী আরেকটি ঢেউ।
ব্রিটেনে এই মুহূর্তে যত মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন, তার ৯১ শতাংশই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের শিকার। আগেই বলা হয়েছে, একজন থেকে আরেক জনের দেহে এই ভ্যারিয়েন্টটি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে যেতে পারে। এতে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর সম্ভাবনাও অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে অনেক বেশি। বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বৃটেনসহ ইউরোপকে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশ্বখ্যাত মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটের এক গবেষণায় উঠে এসেছে, টিকার একটি ডোজ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে খুব বেশি লড়াই করতে পারে না। এর বিরুদ্ধে শক্তিশালী এন্টিবডি তৈরি করতে হলে দুটি ডোজ নিতে হবে এবং সেই দুই ডোজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কমিয়ে আনতে হবে। ব্যবধান বেশি হলে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়।
Leave a Reply