শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইএমএফের আরেক ‘কঠোর শর্ত’ মেনে নিল পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৬০ বার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে ৬৫০ কোটি (৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন) ডলার ঋণ পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তান। তবে ঋণ দেওয়ার আগে কঠিন কিছু শর্ত দিয়েছে আর্থিক সংস্থাটি।যার মধ্যে অন্যতম ছিল— কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার বৃদ্ধি করতে হবে। আইএমএফের ঋণ না পেলে দেশ দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে, এমন শঙ্কা থেকে সুদের হার বাড়ানোর শর্ত মেনে নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ২০০ বেসিস পয়েন্টে সুদের নতুন হার ১৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৯ শতাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের অক্টোবরে একবার সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। এখন প্রায় ২৫ বছর আগের পুরোনো রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে ইসলামাবাদ।পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছিল, আইএমএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি একটি বৈঠক করেছেন তারা। তখনই তারা জানিয়েছিলেন, সুদের হার ২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।আইএমএফ ঋণ দিতে যেসব শর্ত দিয়েছিল, সেগুলোর প্রায় বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। বিদ্যুৎ খাত নিয়ে যে কয়েকটি ইস্যু রয়েছে সেগুলোও সমাধানের চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। বিষয়টি সুরাহা হয়ে যাওয়ার পরই আইএমএফের সঙ্গে স্টাফ-লেভেল চুক্তি হবে।আরও জানা গেছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার সূত্রের বিস্তারিত আইএমএফের কর্মকর্তাদের জানিয়েছে পাকিস্তান।

নগদ অর্থের সংকটে ভোগা পাকিস্তান যে কোনোভাবে ঋণ চাইছে। প্রথমে দেশটি আইএমএফের শর্ত মেনে নিতে চায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ও ভর্তুকি বন্ধ, ট্যাক্সের হার বৃদ্ধিসহ কঠোর সব শর্ত নিয়েছে।আর্থিক সংস্থাটির এসব প্রস্তাব মেনে নেওয়ায় দেশটিতে প্রায় সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পাবে। যার প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর।এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে পাকিস্তানে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল এসেছিল। তারা ১০ দিন আলোচনা করে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি। কিন্তু  ওই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দুই পক্ষের মধ্যে ভার্চ্যুয়ালি আলোচনা হবে।
তথ্যসূত্র : এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories