দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মুহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি টেকনাফ মডেল থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও তাঁর স্ত্রী চুমকির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত আজ মঙ্গলবার সকালে এ আদেশ দেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ‘ঘুষ ও দুর্নীতি’র মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গোপন করার জন্য চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন পাথরঘাটা এলাকার একটি ছয়তলা বাড়ি প্রদীপ কুমার দাশ তাঁর শ্বশুরের নামে নির্মাণ করেন। পরে ওই বাড়িটি নিজের মেয়ে চুমকির নামে দান করেন প্রদীপের শ্বশুর। দানপত্র দলিল হলেও বাড়িটি প্রদীপ ও তাঁর স্ত্রী চুমকি কর্তৃক অর্জিত বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাহামুদুল হক জানান, আদালত পাথরঘাটা এলাকার একটি ছয়তলা বাড়ি, পাঁচলাইশ এলাকার জায়গা ও দুটি গাড়িসহ প্রদীপ কুমার দাশ ও তাঁর স্ত্রীর চট্টগ্রামের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও কক্সবাজারের সম্পত্তি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককে ক্রোক করে তাঁদের অধীনে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
গত বছরের ২৩ আগস্ট দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে প্রদীপের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করেন। মামলায় প্রদীপের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী চুমকিকেও আসামি করা হয়।
Leave a Reply