বর্তমানে ব্রাজিল জাতীয় দলের ফুটবলারদের হলুদ জার্সি পরে খেলতে দেখা যায়। তবে একসময় তাদের জার্সির রঙ ছিল নীল-সাদা। শুনতে একটু অবাক লাগলেও মার্কার এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে নেপথ্য কারণও জানানো হয়েছে।বিষয়টি জানতে আমাদের একটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। ১৯৫৩ সালে এক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ব্রাজিল। সেসময় তাদের জার্সির ডিজাইন জমা দিতে বলা হয়। তখন দেয়া হয় নীল-সাদা।
স্বাভাবিকভাবেই ব্রাজিলিয়ানদের জার্সিতে ‘দেশের প্রাণশক্তি’ ফুটে ওঠেনি। ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব মিনাস গিরেস প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক জার্নাল ফুলিয়া’তে এক প্রতিবেদন পাবলিশ হয়। তাতে বলা হয়, ব্রাজিলের জার্সির রং ছিল নীল ও সাদার সংমিশ্রণে।ওই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিখ্যাত গণমাধ্যম কোরিও দা মানহা। সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বলা হয়, অংশগ্রহণকারী দলের জার্সির রঙ হতে হবে হলুদ, সবুজ, নীল ও সাদার মধ্যে। যা দেশের পতাকার রঙের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত রঙ হিসেবে জেতে হলুদ। এরপর এ রঙের জার্সি পরেন সেলেকাওরা।বরাবরের মতো ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও ট্রেডমার্ক হলুদ জার্সি পরে খেলবে ব্রাজিল। খানিক পরই লুসাইল স্টেডিয়ামে সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ মিশন শুরু করবেন নেইমার।
২৬ সদস্যের ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডগোলকিপার অ্যালিসন বেকার (লিভারপুল), এডারসন (ম্যানসিটি) ও ওয়েভারটন (পালমেইরাস)।ডিফেন্ডারমারকুইনহোস (পিএসজি), থিয়াগো সিলভা (চেলসি), এডার মিলিতাও (রিয়াল মাদ্রিদ), দানিলো (জুভেন্টাস), অ্যালেক্স সান্দ্রো (জুভেন্টাস), অ্যালেক্স তেলেস (সেভিয়া), দানি আলভেজ (পুমাস) ও ব্রেমার (জুভেন্টাস)।
মিডফিল্ডারকাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ফ্যাবিনহো (লিভারপুল), ফ্রেড (ম্যানইউ), ব্রুনো গিমারেস (নিউক্যাসল), লুকাস পাকুয়েতা (ওয়েস্টহ্যাম) ও এভারটন রিবেইরো (ফ্লামেঙ্গো)।
ফরোয়ার্ডনেইমার (পিএসজি), ভিনিসিয়াস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), রদ্রিগো (রিয়াল মাদ্রিদ), রিশার্লিসন (টটেনহ্যাম), রাফিনহা (বার্সেলোনা), গ্যাব্রিয়েল জেসুস (আর্সেনাল), অ্যান্তেনিও (ম্যানইউ), পেদ্রো (ফ্লামেঙ্গো) ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল)।
Leave a Reply