শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ৫৯ বার

নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। তিনি বলেছেন, ‘আমি দায় স্বীকার করতে চাই এবং যে ভুলগুলো হয়েছে তার জন্য দুঃখিত।
তবে এজন্য তিনি পদত্যাগ করছেন না। বরং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দেবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (১৭ অক্টোবর) এক সাক্ষাৎকারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।
এসময় তিনি আরো বলেন, ‘আমি কাজ করতে চেয়েছিলাম, করের সমস্যা মোকাবিলা এবং জ্বালানি বিল নিয়ে সাহায্য করতে, কিন্তু আমরা খুব বেশি এবং খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি’।
ট্যাক্স কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত মাসে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বে জয়ী হয়েছেন ট্রাস। ক্ষমতায় এসেই এরই মধ্যে অজনপ্রিয় বাজেট প্রণয়ন এবং কিছু অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। এসব পদক্ষেপ তার দলকে বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে। এখন তিনি রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার লড়াই করছেন।
অল্প সময়ের এই প্রধানমন্ত্রিত্ব ‘নিখুঁত ছিল না’, তবে নিজের ভুল ‘শুধরে’ নিয়েছেন বলে সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন লিজ ট্রাস।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির সাথে সাক্ষাৎকারে লিজ ট্রাস আরো বলেন, তিনি যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এটি অর্জন করতে যে এখন আরো বেশি সময় লাগবে, সেটাও স্বীকার করেছেন তিনি।গতকাল সোমবার (১৭ অক্টোবর) এক সাক্ষাৎকারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।
লিজ ট্রাস বলেন, তার অধীনে যেসব ভুল হয়েছে সেজন্য তিনি দুঃখিত। তবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা এখন তার অগ্রাধিকার।
অর্থনৈতিক এই বিশৃঙ্খলায় তার প্রধানমন্ত্রী লিজের নিজের দলেও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। কনজারভেটিভ পার্টিরই শতাধিক সংসদ সদস্য (এমপি) ট্রাসের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন। আর এতে করে জনমত জরিপে বিরোধী লেবার পার্টির চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই ধাক্কায় আগামী সাধারণ নির্বাচনেও অনেক আসন হারাতে পারে কনজারভেটিভ পার্টির।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories