শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়ার বিপুল পণ্য কিনছে যুক্তরাষ্ট্র !

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
  • ৭১ বার

বিশ্বকে বোকা বানিয়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য কিনছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদন বলছে, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রতিদিনই রাশিয়ার পণ্যবাহী জাহাজ ভিড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো না কোনো বন্দরে। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানি করে প্রতিমাসে ১০০ কোটিরও বেশি মার্কিন ডলার আয় করছে রাশিয়া।চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো মস্কোর বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এমনকি কোনো দেশ রাশিয়া থেকে কিছু আমদানি করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন চাপে অনেক দেশ আমদানি বন্ধ করে তীব্র খাদ্য ও জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে। এরইমধ্যে ইউরোপের অনেক দেশে রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে গেছে মূল্যস্ফীতি।

তবে, অনেকটা চুপিসারেই মস্কো থেকে নিজেদের পণ্য আমদানি অব্যাহত রেখেছে ওয়াশিংটন। এ যেন সর্ষের মধ্যেই ভূত। এক প্রতিবেদনে এপি জানায়, গেল ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া অন্তত ৩ হাজার ৬০০টি পণ্যের চালান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঠ, ধাতব পদার্থ, রাবার এবং অন্যান্য জিনিস।অবশ্য গেল বছরের একই সময়ে রাশিয়া থেকে ৬ হাজার চালান পাঠানো হয়েছিল। ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে ২৬২.৬ মিলিয়ন ডলারের ইউরিয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সলিউশন ক্রয় করে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধের মধ্যেই প্রতিমাসে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠিয়ে ১০০ কোটিরও বেশি ডলার আয় করছে রাশিয়া।এপির প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, রাশিয়ার যে সমস্ত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তাতে মস্কোর চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ওয়াশিংটনের। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কোনো আমদানিকারক হয়তো রুশ পণ্যের বিকল্প ব্যবস্থা করতে পেরেছেন, তবে অনেকেই তা পারেননি। আর তাই রাশিয়া থেকে প্রায় প্রতিদিনই মার্কিন বন্দরে ভিড় করছে পণ্যবাহী জাহাজ। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি করা পণ্যের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি।এর আগে সংবাদমাধ্যমকে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, রাশিয়ার কৃষি ও খাদ্য পণ্যের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। তবে পুতিন যতদিন ইউক্রেনে তার সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবেন ততদিন অন্যান্য নিষেধাজ্ঞাগুলো বজায় রাখা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories