শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ আজ দেবীর বোধন, কাল থেকে শুরু শারদীয় দুর্গোৎসব উত্তরায় ২ ঘণ্টা পর সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে নারী পুরুষ শিক্ষকের মারামারির ভিডিও ভাইরাল ৮ মাসে প্রশাসনে রদবদল: ২ হাজারের বেশি বদলি-পদায়ন, বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই দিয়ে মিথ্যা কন্টেন্ট যে বানায়, আর যারা শেয়ার করে সবাই অপরাধী: মেহজাবীন চৌধুরী ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা আগামী ১২ দিন বন্ধ থাকবে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ী স্থলবন্দর বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখা জরুরি: আইএমএফ শারদীয় দূর্গােউৎসবে মণ্ডপের নিরাপত্তা ইস্যুতে পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আখের বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি

চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
  • ২২৪ বার

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আখের বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। ফলন ভালো হওয়ায় বেশি দামে বিক্রির আশায় আখ চাষিরা খুব খুশি।  তাই রোদে পুড়েও লাভবান হওয়ার আশায় এ উপজেলাতে এসব চাষিরা তাদের আখ কাটছে। এ বছর ২৭৫ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হওয়ার কথা থাকলেও  তা বেড়ে ২৯০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। 

ফরিদগঞ্জ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আখ চাষের জন্য উপযুক্ত হলো আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণ। আর ফরিদগঞ্জে যে কোন কৃষি উৎপাদনের জন্য বলা চলে উর্বর ভ’মির ফলে আশানুরূপ ফলন হচ্ছে। যেমন অন্য উপজেলাতে আখচাষের জন্য ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগলেও ফরিদগঞ্জে ৭-৮ মাসেই আখের ফলন পাওয়া যায়। আখ চাষে সার্বিকভাবে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। বাজারে বেশ চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় দিন দিন আখ চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। আখের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে পেঁয়াজ, রসুন, সরিষা, মিষ্টি কুমড়া ও আলু চাষ করা যায়। উপজেলার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আখের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে চাষিরা পেঁয়াজ, রসুন, সরিষা, মিষ্টি কুমড়া ও আলু জাতীয় ফসলগুলো আলাদা জমি ছাড়াই বিনা সেচে বৃষ্টির উপর নির্ভর করে চাষ করা যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগে আখ ক্ষতিগ্রস্ত  হলেও সাথী ফসল থেকে আংশিক ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়। পেঁয়াজ ও রসুনের পাতায় তীব্র ঝাঁঝ থাকায় সাথী ফসল হিসেবে আখ চাষ করলে আখে পোকামাকড়ের উপদ্রব কম হয়। প্রতিটি আখ খুচরা ২০-৪০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায়ও সরবরাহ করা হচ্ছেএ উপজেলার আখ। আখের সঙ্গে সাথী ফসল চাষ করলে জমিতে আগাছাও কম হয়, ফলে মূল ফসলের ফলন অনেকাংশে বেড়ে যায়।

এলাকার একজন আখ চাষি বলেন, তিনি ৫০ শতক জমিতে আখ চাষ করেছেন। তার খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকা। তিনি আখ বিক্রি করেছেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের আখচাষি আলাউদ্দিন বলেন, তিনি লম্বাটে জাতের পাতলা গিরার লাল রং এর আখ চাষ করেছেন। অনেকে রং বিলাস জাতের আখ ও বলে থাকে এ আখকে । তিনি মোট দেড় একর জমিনের মধ্যে আখ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মোট খরচ হয়েছে দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকার মতো। আখের দাম ভালো হওয়ায় তার এ বছর ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার উপরে বিক্রি আসবে বলে আশা করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আশিক জামিল মাহমুদ বলেন, উপজেলার যেসব এলাকায় আখ চাষ বেশি হচ্ছে, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ওই এলাকার আখ চাষিদের প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী দেওয়াসহ আখ লাগানো থেকে শুরু করে উঠানো পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে-ধাপে সার প্রয়োগ ও রোগ-বালাই নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকদের আরও বেশি বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে আখ চাষে উদ্বুদ্ধ করবেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories