রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় স্বার্থে আপস করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা দেশে বর্তমানে সত্যিকারের গণতন্ত্র বিরাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবার দুই প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মঈন খান মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা স্থগিতাদেশ বাতিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া, কাটাতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী স্টার্ককে শরিফুলের জবাব, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১০১ রানের লিড

বিআরটি প্রকল্প বন্ধসহ পরিচালকের গ্রেপ্তার দাবি সেভ দ্য রোডের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৮ বার

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গার্ডার চাপায় পাঁচজনের নির্মম মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে সেভ দ্য রোড। সংস্থাটি বলছে, বিআরটি প্রকল্পের মতো যত প্রকল্প রয়েছে, সব প্রকল্প বন্ধ করে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও বিচার করতে হবে।সোমবার (১৫ আগস্ট ) রাতে এক বিবৃতিতে সেভ দ্য রোডের চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম, প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, মহাসচিব শান্তা ফারজানা এ দাবি জানান। 

বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, ১৫ আগস্ট গার্ডার পড়ে পাঁচজনের মৃত্যুই প্রথম নয়; এক মাস আগে গত ১৫ জুলাই ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় বিআরটি প্রকল্পের নিরাপত্তারক্ষী জিয়াউর রহমান (৩০) নিহত হন। ওই ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরও দুজন।তারা বলেন, ২০১২ সালে বিআরটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ওই সময় মোট ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকার এই প্রকল্পটি শেষের মেয়াদ বলা হয়েছিল ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে; কিন্তু ২০১৭ সালে প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়। ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রাক্কলন ব্যয় বাড়িয়ে উন্নীত করা হয় ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ ৪৩ হাজার টাকায়; কিন্তু এ নির্ধারিত সময়েও বিআরটির কাজ শেষ করা যায়নি। কারণ ঠিকাদারদের গ্রহণযোগ্য কর্মপরিকল্পনা তৈরির মতো দক্ষ জনবল, সরঞ্জাম, অর্থ, প্রয়োজনীয় উপকরণ কিছুই নেই। এ কারণে তাদের কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবের মিল ছিল না।তারা আরও বলেন, সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৯১৭ দিনে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কর্মপরিকল্পনা বদল করেছে ছয়বার। তাদের সপ্তম সংশোধিত পরিকল্পনায় ২০২২ সালের ২৯ আগস্ট কাজ শেষ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সেভ দ্য রোড বলছে, গত ১০ বছর ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার এলাকায় জমেছে ইকুইপমেন্ট জঞ্জাল। এই জঞ্জাল অপরিকল্পিত-অব্যবস্থাপনার মধ্যে ১০ বছর সাধারণ মানুষকে যেমন কষ্ট দিয়েছে, তেমন কেড়ে নিয়েছে সময় এবং অর্থ। এ প্রকল্পের কারণে প্রতিদিন উত্তরা-গাজীপুর-ময়মনসিংহ রোডে জ্যাম থাকতো ১৩-১৪ ঘণ্টা। প্রতিদিন কেবলমাত্র জ্যামের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে ২৬-৫০ কোটি টাকা। সেই ক্ষতির সঙ্গে নতুন করে বাংলাদেশ পাঁচটি প্রাণও হারাল। এ অবস্থায় বিআরটি প্রকল্পের মতো যত প্রকল্প রয়েছে, সব প্রকল্প বন্ধ করে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও বিচার হোক।  

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories