রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় স্বার্থে আপস করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা দেশে বর্তমানে সত্যিকারের গণতন্ত্র বিরাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবার দুই প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মঈন খান মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা স্থগিতাদেশ বাতিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া, কাটাতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী স্টার্ককে শরিফুলের জবাব, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১০১ রানের লিড

ব্রয়লার মুরগির ডাবল সেঞ্চুরি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৭০ বার

ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের কাঁধে চেপে বসেছে জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের বোঝা। বাজারে অতিরিক্ত দামে আতঙ্কে উঠা সাধারণের জীবন এখন রোজকার ঘটনা।
জাতীয় ক্রিকেট দলের সেঞ্চুরি কিংবা ডাবল সেঞ্চুরি খবর খুব একটা না মিললেও নিত্যপণ্যের বাজারে এখন তা না নিয়মিত ঘটনা। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বর্তমান দাম ২০০ টাকা। শুধু ব্রয়লার নয়, বেড়েছে পাকিস্তানি কক মুরগির দামও। গত সপ্তাহেও পাকিস্তানি ককের দাম ছিল ২৪৫-২৫০ টাকার মধ্যেই। আজ বিক্রি হচ্ছে ২৭০-২৭৫ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, দিন শেষেতো আমিও একজন ক্রেতা। বাড়তি দাম কইতে আমারও খুব খারাপ লাগে। এক সপ্তাহ আগে চাইলাম ১৫০ টাকা কেজি, আর আজ সেই ব্রয়লার ২০০! আমরা সবাই জিম্মি।ডিমের দামও ডজন প্রতি দেড়শো হাঁকিয়ে চলেছে। রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহখানেক আগে খুচরা দোকানে লাল ডিমের ডজন ছিল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, সেই ডিমের ডজন সপ্তাহ ঘুরে শনিবার (১৩ আগস্ট) বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা আর হালিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা। অপরদিকে, পাইকারি বাজারে প্রতিটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায় আর প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৪ টাকায়।ডিমের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং অনেক খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিমের উৎপাদন কমে যাওয়া।এদিকে চাল-ডাল থেকে শুরু করে সবজির বাজারেও নেই স্বস্তি। অসহায় ক্রেতাদের একমাত্র চেষ্টা খরচ কমিয়ে টিকে থাকার। সব ধরনের চাল বস্তা প্রতি দাম বেড়েছে ২০০ টাকা আর সুগন্ধি চালে বেড়েছে ৫০০। সাথে ডাল, আটা, ময়দা, সুজি, চিনি। ফলাফল ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাসের ডায়েটিং।

টয়লেট্রিজ সামগ্রী, শুকনো খাবার, গুড়ো দুধের দাম ৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বেঁচে থাকার লড়াইটা এখন কেজি থেকে নেমেছে গ্রামে। বাড়তি হাওয়া আদা-রসুন-পেঁয়াজের বাজারেও।এমন পরিস্থিতি, কৃচ্ছতা সাধনেও সান্তনা খুঁজে পাচ্ছেন না সীমিত আয়ের মানুষ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories