রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় স্বার্থে আপস করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা দেশে বর্তমানে সত্যিকারের গণতন্ত্র বিরাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবার দুই প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মঈন খান মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা স্থগিতাদেশ বাতিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া, কাটাতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী স্টার্ককে শরিফুলের জবাব, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১০১ রানের লিড

জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ॥ চালের বাজারে অস্থিরতা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২
  • ৭৯ বার

জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে মিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা চালের মূল্যবৃদ্ধি করেছেন। আর যার প্রভাবে রাজধানীর চালের বাজার ফের অস্থির হয়ে উঠেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, গত দুই দিনের ব্যবধানে বস্তা (৫০ কেজি) প্রতি বিভিন্ন ধরনের চালের দাম বেড়েছে ১৫০থেকে ৩০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে মানভেদে চালের দাম পাইকারি বাজারে বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা।

দুদিন আগে মিনিকেট চালের বস্তা (৫০ কেজি) কিনেছি তিন হাজার ২৫০ টাকায়। আজ সেই চালই তিন হাজার ৪০০ টাকা চাইছে। অর্থাৎ প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা।

দোকানিরা বলছেন, কাল নাকি আরও বাড়বে। কী করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে চালের দাম।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর থেকে প্রতি কেজি চালের দাম ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাইস মিলগুলোতে চালের দাম বস্তাপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা বাড়ছে। তিন-চারদিনের ব্যবধানে সেটা ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

ভালো মানের ব্র্যান্ডের মিনিকেট এখন বস্তাপ্রতি তিন হাজার ৪০০ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্র্যান্ড বাদে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কম মূল্যে মিলছে। বর্তমানে পাইকারিতে প্রকারভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৭০ টাকায়।

জীবন হোসেন বলেন, কুষ্টিয়ার রশিদ ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল কয়েকদিন আগেও তিন হাজার ২২০ টাকায় বিক্রি করতাম, এখন সেটা তিন হাজার ৪৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি দোকান গুলোতে প্রতি কেজি নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮৬ টাকা। কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ৪ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। ভালো ব্র্যান্ডের নাজিরশাইল এখন ২০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৭১০ টাকায়। যা তিনদিন আগে ছিল এক হাজার ৬২০ টাকা।

বাজারে সবচেয়ে কম দামের চাল গুটি স্বর্ণা। এই মোটা চালও প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৭-৪৮ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি বস্তা দুই হাজার ৩৫০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকা।

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি বিগত বোরো মৌসুমে চালের উৎপাদন কম হওয়াকে দায়ী করছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, অন্যদিকে জ্বালানি তেলের কারণে ট্রাকভাড়া বেড়েছে। আগে যেখানে কুষ্টিয়া থেকে ১৭ হাজার টাকায় বড় ট্রাক আসতো, সেটা এখন ২৫ হাজার লাগছে।

তারা আরও জানান, একটি বড় ট্রাকে ২৫০ বস্তা চাল আসে। বাড়তি ভাড়ার কারণে প্রতি কেজি চালে প্রায় ৫০ পয়সা বেশি খরচ হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে চালের দাম বাড়ার প্রভাবে খুচরাতেও বেড়েছে। রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোটা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৪ থেকে ৫৫ টাকায়। মাঝারি মানের চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭০ থেকে ৭৫ টাকা এবং নাজিরশাইল চাল ৭৫ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories