সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ৩,১০০ রিঙ্গিত করার দাবি এমটিইউসির পেনাংয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প, দুই দিনে পাঁচ শতাধিক প্রবাসীকে সেবা প্রদান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা সেমিনার অনুষ্ঠিত নুসরাত হত্যার রায় : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হলেন আবদুর রহমান খান মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে অবদান রাখছে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা গাজীপুরে নিজ জুয়েলারি দোকান থেকে ব্যবসায়ীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার গাজীপুর মহানগরের ৪৮ নং ওয়ার্ডে মাদকের আখড়ায় জনতার আগুন ও ময়লা আবর্জনার জনসচেতনতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন

মুন্সীগঞ্জে কৃষকের গোলায় সংরক্ষিত আলুতে পচন, দিশেহারা কৃষক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২
  • ১১১ বার

মুন্সীগঞ্জের হিমাগারগুলোতে সংরক্ষণ করতে না পেরে বাড়ীতে গোলায় আলু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃষকরা।সেই আলুতে পচন ধরায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই এমন চিত্র দেখা যায়।
কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে দাম কম থাকায় বাড়ীতে ও জমিতে আলু সংরক্ষণ করে রাখা হয়। গত সপ্তাহ থেকে আলুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। বাড়তি দামে আলু বিক্রি করার আশায় গোলা ভেঙ্গে দেখা যায় অর্ধেকেরও বেশি আলু পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া গোলার বাইরে উঁচু জমি, পরিত্যক্ত ভিটায় যে সমস্ত আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল তা প্রায় সবই নষ্ট হয়ে গেছে।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৫ হাজার ৭৮৬ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে।প্রতি হেক্টরে ৩০.৬২ মেট্রিক টন করে আলু পাওয়া গেছে।সে হিসেবে ১০ লাখ ৯৫ হাজার ৭৬৭ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে।জেলায় আলু সংরক্ষণের জন্য হিমাগার সচল রয়েছে ৬৪টি। এসব হিমাগারে সাড়ে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি আলু কৃষকরা উঁচু জমি,বাড়ীর গোলায় ও পরিত্যক্ত ভিটায় সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন। স্থানীয় কৃষকদের দাবী, আলু উত্তোলন মৌসুমে দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণে আলু মুন্সীগঞ্জের হিমাগারগুলোতে এনে রেখেছেন পাইকাররা। যে কারণে জেলায় উৎপাদিত আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করা যায়নি। কৃষকরা জানান, গোলায় রাখা অর্ধেক আলু পচে গেছে। গোলার বাহিরে পরিত্যক্ত ভিটায় যে সমস্ত আলু রেখেছিলাম তা সব পচে মাটির সাথে মিশে গেছে।চলতি বছর একবার আলু লাগাইলাম বৃষ্টিতে তলায় গেল। আবার লাগাইলাম তোলার সময় আবারো বৃষ্টি হইলো। গোলায় রাখার পর আলু নষ্ট হয়ে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো:খুরশিদ আলম বলেন,কৃষকরা গোলায় আলু সংরক্ষণের পর তা আর বাছাই করেন না। যে কারণে গোলায় একটি পচা আলু থাকলে তা থেকে দ্রুত অন্যান্য আলুতে পচন ছড়ায়। তিনি বলেন,এছাড়া বৃষ্টির পরে জমি ভালোভাবে শুকানোর আগেই জমি থেকে আলু তুললে,আর ওই আলু ভিজা থাকলে তা বস্তার মধ্যে ভরলে কিংবা ভিজা আলু গোলার মধ্যে রাখলে তা থেকেও দ্রুত আলুতে পচনের সৃষ্টি হয়। খুরশিদ আলম আরো বলেন, চলতি বছর আলু রোপণ মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ হাজার হেক্টর কম জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৩০ মেট্রিক টনের বেশি করে আলু উৎপাদন হয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories