শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে: আইনমন্ত্রী দ্রুত সময়ে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে : বিএসইসি চেয়ারম্যান সোনার দাম আরও কমলো, কমেছে রুপাও বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও পরীক্ষা নিয়ে নির্দেশনা জারি চলচ্চিত্র অনুদান কমিটিতে আওলাদ হোসেন সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ বেঁচে থাকার জন্য সবুজায়ন জরুরি : প্রধানমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রীর সাথে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠাবে সরকার: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

হালুয়াঘাটের আঞ্চলিক পাকা সড়কগুলো
কৃষকের ধান শুকানো ও মাড়াই কলের প্রধান স্থান

সমীর সরকার, হালুয়াঘাট প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২
  • ১২৫ বার

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটসহ সারা দেশে ব্যুরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। গ্রামের প্রাস্তকি কৃষকরা তাদের ক্ষেতের ধান উঠানোর কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ধান কাটার পর সেগুলো রাখার নির্দিষ্ট কোন স্থান না থাকায় দেশে মফস্বল এলাকার আঞ্চলিক পাকা সড়ক দখল করে সেখানেই ধান মাড়াইসহ শুকানো এবং সড়কের উপর খড় শুকানোর ব্যবস্থা করছেন। এতে করে ওইসব পাকা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা বিভিন্ন ধরনের যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক সময় দূর্ঘটনায় শিকার হচ্ছে পথচারীসহ স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং ছোট ছোট ছেলে মেয়েসহ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এমনকি স্থানীয় ভাবে পালন করা গবাদি পশুরাও।
হালুয়াঘাটের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে কৃষকরা ধান কাটা এবং মাড়াই করতে পরিবারকে সাথে নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছে।

এ দিকে প্রাকৃতি দূর্যোগ এবং কাজের লোকের অভাবে ঠিক মত ধান কাটতে ও মাড়াই করতে পারছে না। সরকারী ভাবে সহযোগীতায় যে সমস্ত ধান কাটার মেশিন আছে তাও সল্প। এ দিকে গত কয়েকদিন ঘন-ঘন বৃষ্টির কারণে কৃষক বাড়িতে ধান নিতে পারেছে না, ফলে তারা পাকা সড়ক বা রাস্তাকেই বেছে নিয়েছে। রাস্তা বা সড়কগুলো দখল করে ধান কেটে রাখাসহ মাড়াই করা শুঁকানো সব কাজ করছে কৃষকরা।
দেখে গেছে, কৃষক পরিবারের সদস্যরা ধান কেটে আনার পর রাস্তা বা সড়কে রেখে এবং সেগুলো পাহাড়া দিতে রাস্তা বা সড়কের উপর রাত্রি যাপন করছে। ফলে যে সমস্ত রাস্তা বা সড়কে যানবাহন বা জন-সাধারণের যাতায়াত বেশী সেই সব রাস্তা বা সড়কে যানবাহন চালক, যাত্রী বা জনসাধারনকে পড়তে হচ্ছে বিপাকে। অনেক সময় এক গাড়ি যাতায়াতের সময় অন্য গাড়িকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। আবার ধানের উপর দিয়ে গাড়ি গেলে, ড্রাইভারকে কথা শুনতে হয় স্থানীয়দের। ধান বা খড়ের উপর দিয়ে গাড়ি গেলে বা কোন কারনে গাড়ী থামাতে চাইলে দূর্ঘটানায় পরতে হয় অনেকেই।

এ ব্যাপারে একজন কৃষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কি করব ভাই, বাড়ীতে জায়গা কম এবং কাঁদা তাই নিজেরা কষ্ট করছি, আপনাদেরও কষ্ট দিচ্ছি। আর মাত্র কয়েকটা দিন, ধান উঠানো বা মাড়াই শেষ হলে আপনাদের বিরক্ত করবো না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানার বলেন, যদিও এটা ঠিক না, তবুও বৃষ্টির কারনে সাধারণ কৃষকরা রাস্তা বা সড়কগুলো ব্যবহার করছে। এই বিষয়টাকে আমরা মানবিক দৃষ্টিতে দেখছি, তারপরও খুব বেশি সমস্যা হলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories