মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনা বেঁচে থাকতে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: তথ্য উপদেষ্টা সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোনো কোনো মহল গার্মেন্টস উৎপাদন ব্যাহত করতে উসকানি দিচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী পেলেন আর্থিক সহায়তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ২টি দেশীয় পাইপগান ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার ময়মনসিংহের নান্দাইলে চলন্ত ট্রাকে আগুন, চালকের বিচক্ষণতায় রক্ষা পেল নান্দাইল বাজার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ৪ গাড়ির ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভ্যান চালক নিহত আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ হামে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম শিশুমৃত্যু দেখল নিউইয়র্ক মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অনলাইনে চালান মাদকের কারবার, দাউদের দলে নতুন ‘লেডি ডন’!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১০৩ বার

মুম্বাইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ড বললেই দাউদ ইব্রাহিমের নামটাই আগে উচ্চারিত হয়। এক সময় শহরের যে সব এলাকায় দাউদের দাদাগিরি চলত, মুম্বাইয়ের সেই ডোংরি এলাকা এখন সামলাচ্ছেন বছর বাইশের এক তরুণী। এই এলাকা থেকেই গোটা মুম্বাইয়ে নেটওয়ার্ক চালান তিনি।নাম ইকরা কুরেশি। মুম্বাইয়ের যে এলাকা থেকে অপরাধ জগতের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা হয়, ইকরা সেই এলাকাতেই মাদকের ব্যবসা করে নিজের প্রাধান্য বিস্তার করেছেন। ওই এলাকার ‘ড্রাগ কুইন’ বলা হয় ইকরাকে।

দাবি করা হয়, ইকরার বছর পাঁচেকের একটি সন্তান আছে। তার বিরুদ্ধে কেউ যদি কোনও কথা বলেন, তা হলে তার উপর হামলা চালাতে দ্বিধা করেন না ইকরা। অনলাইনে মাদকের ব্যবসা চালান ইকরা। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে মাদকের কারবার চালান তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে নতুন গ্রাহক জোগাড় করেন। তার পর তার কাছে মহিলাদের মাধ্যমে মাদক পৌঁছে দেন তিনি। ইকরার মাদক নেটওয়ার্ক চালানোর জন্য মহিলাদের একটি দল রয়েছে। যারা মুম্বাইয়ের বার এবং ডিস্কোতে মাদক সরবরাহ করেন।পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য একটা ফোন ২-৪ দিনের বেশি ব্যবহার করেন না ইকরা। মাদকের চুক্তি হয়ে যাওয়ার পরই সেই ফোন বাতিল করে দেন। নতুন কোনও চুক্তির জন্য আবার নতুন ফোন এবং নম্বর ব্যবহার করেন। ফলে মুম্বাইয়ের মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেও (এনসিবি) ইকরার গতিবিধি নজর রাখতে সমস্যায় পড়তে হয়।ইকরার নাম প্রকাশ্যে আসে ২০২১-এর মার্চে। এনসিবি গোপন সূত্রে খবর পায় ডোংরি এলাকায় হাজিম কসমে এক মাদক পাচারকারী রয়েছে। পুলিশ অভিযান চালাতেই ৫২ গ্রাম মাদক-সহ ধরা পড়েন ইকরা। গ্রেফতার হওয়ার আগে পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ ছিল না পুলিশের খাতায়।

চরস, এমডি এবং এলএসডি বড় সরবরাহকারী ইকরা। ডোংরি এলাকায় তা  কে ‘লেডি ডন’ এবং ‘ড্রাগ কুইন’ও বলা হয়। ইকরার গতিবিধির উপর এনসিবি নজর রাখত। ইকরাও এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের গতিবিধির উপর নজর রাখতেন। তিনি কখন অফিস যাচ্ছেন। কোথায় যাচ্ছেন, কত জন লোক তাঁর সঙ্গে রয়েছেন, কাদের সঙ্গে দেকা করছেন- সব ছিল ইকরার নখদর্পণে। এমনকি এনসিবি দফতরেও ছদ্মবেশে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। সোনু পাঠান এবং এজাজ সাইকো নামে দুই মাদর পাচারকারীকে এনসিবি গ্রেফতার করার পরই ইকরার নাম তদন্তকারীদের হাতে আসে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories