সুস্থ থাকতে বিশুদ্ধ পানি পান করার বিকল্প নেই। তবে দেশের বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে এখন বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে বন্যার পানি বিশুদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ (১/২/৫ লিটার) পানি একটি পাত্রে
গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে বেশি বেশি পানীয় পান করা জরুরি। খাবারে আরও যোগ করা প্রয়োজন তরল খাবার। গ্রীষ্মের প্রখর তাপ থেকে বাঁচতে ফলের রস দারুণ কাজ করে। তবে রসে প্রাকৃতিক
চোখ মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের অন্যতম। এটি খুব সংবেদনশীল অঙ্গও। আবহাওয়ার তারতম্যে চোখের স্বাস্থ্যের এদিক ওদিক হতে পারে। চোখের স্বাস্থ্যের জন্য গ্রীষ্মকাল মাঝেমধ্যে ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। তাপ ও ধুলাবালু নানা সমস্যার
শরীরকে শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে খাদ্যতালিকার দিকে যেমন নজর দিতে হবে, তেমনি এমন কিছু শারীরিক ক্রিয়াকলাপও করতে পারেন যা বাড়াবে আপনার রক্তপ্রবাহ। এতে শরীর থাকবে উষ্ণ। এছাড়া শীত তাড়াতে নির্দিষ্ট
শাশুড়ি-বউমার মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় অনেক বাড়িতেই ঝগড়া-অশান্তি লেগে থাকে। এ সমস্যার আঁচ করে অনেকেই বিয়ে করতেও ভয় পান।শাশুড়ির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার কারণে অনেকে মানসিক অবসাদেও ভোগেন। তবে একটু
চুল পড়া বিড়ম্বনার অভিজ্ঞতা কমবেশি সবার আছে। বিশেষ করে শীতকালে এ বিড়ম্বনায় বেশি পড়তে হয়। এ ছাড়া চুলের বৃদ্ধি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাতেও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন অনেকে। অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা,
মোটা হওয়ার সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অস্বাস্থ্যকর খাবার, অনিয়ন্ত্রিত জীবনব্যবস্থার কারণে স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে। অতিরিক্ত ওজন নিয়ে ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। আপনার ওজন যদি বেড়ে যায় এবং
মুখে একটা ব্রণ হলে বা ত্বকের কোন সমস্যা হলেই আমাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে যায়। এই দুশ্চিন্তায় একটা ব্রণের জায়গায় আমরা দুই তিনটি ব্রণ বানিয়ে ফেলি। অথচ হাতের কাছেই প্রাকৃতিক উপাদান
আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মধ্যে চোখ-ই হলো এমন এক ইন্দ্রিয় যার মাধ্যমে আমরা জগতের সৌন্দর্য প্রত্যক্ষ করি। আবার অন্যদিকে চোখ হলো মনের আয়না স্বরূপ। মনের কথা বলে দেয় আমাদের দৃষ্টি। চোখ
সময়টা এখন আমাদের অনুকূলে নাই। করোনাভাইরাসের কারণে বদলে গেছে পরিস্থিতি। ফলে বদলে গেছে প্রতিদিনের অভ্যাস। এখন স্বাস্থবিধি মেনে বাইরে বের হতে হচ্ছে। নিজের ও অন্যদের সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।