মধ্যপ্রাচ্যে আবারও হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির এ হামলার পর কুয়েত ও বাহরাইনে সাইরেন বাজানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উভয় দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম
সামরিক উত্তেজনার অংশ হিসেবে ইরানের বন্দর আব্বাসের আকাশে একটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী বন্দর আব্বাস কাউন্টির হাজিয়াবাদ এলাকার আকাশে একটি
যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিমান হামলার জবাবে এবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী ও দর্শনার্থী প্রবেশ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবস্থান করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ
পবিত্র ঈদুল আজহা ও অন্যান্য যেকোনো দিনে ভারতের তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন মাদ্রাজ হাইকোর্ট। আর এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন
উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার বৃহত্তম শহর টরন্টোতে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। শহরটিতে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার (১১ জুলাই)
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে একের পর এক দেশে সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান এবং হরমুজ
একতরফা চুক্তির যুগ শেষ হয়ে গেছে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য এবার বড় মূল্য দিতে হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। সামাজিক
ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য
আধুনিক ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালনকালে হয়ে ওঠেন প্রজাতন্ত্রের নীতি-নির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু।জীবন্ত এই কিংবদন্তির চার