শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোলের শিশুদের জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত গণ-পরিবহনে আজ থেকে জিপিএস বাধ্যতামূলক থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ছুটির দিনে রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক ফেনীর সোনাগাজীতে প্রতি পক্ষের প্রহারে ডিস ব্যবসায়ী গুরুতর আহত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরে নৌকাডুবি, ৪ জন নিখোঁজ বিশ্বকাপ জয়ী ইতালিয়ান কিংবদন্তি ফ্রাঙ্কো বারেসি আর নেই

পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে দুর্যোগে ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০০ বার

পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে যেকোনো দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাবুবাজারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২১ উপলক্ষে ‘ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডে করণীয়’ বিষয়ক সচেতনতামূলক মহড়ায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প এমন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যার পূর্বাভাস দেওয়ার উপায় এখনও বের হয়নি। বড় ধরনের ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে তা বলা মুশকিল। তবে জনসচেতনতা ও পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সে কাজটাই করে যাচ্ছে ।

তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে জনবহুল বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, খরা, শৈত্য প্রবাহ, অগ্নিকাণ্ড, বজ্রপাত এবং ভূমিধস আমাদের অতি পরিচিত দুর্যোগ। তাছাড়া সিসমিক জোনে অবস্থানের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা থেকেও আমরা ঝুঁকিমুক্ত নই ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের প্রধান শহরগুলোতে মানুষ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আবাসিক-অনাবাসিক স্থাপনাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। কিন্তু এসব স্থাপনা কতটা মানসম্পন্ন, বড় ধরনের ভূমিকম্পে সেগুলো টিকে থাকবে কি না এই আশঙ্কা প্রবল। ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে প্রয়োজনীয় খোলা জায়গাও নেই আমাদের বড় শহরগুলোতে।

দেশে ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয় না এমন অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কারণে মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পও বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। আর বড় ধরনের ভূমিকম্প ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। তাই ভূমিকম্পের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে সব ধরনের স্থাপনা দূর্যোগ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অ্যাকোয়াটিক সি সার্চবোট, মেরিন রেস্কিউ বোট, মেগাফোন সাইরেনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও যানবাহন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম সহজ করার জন্য আরও অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রঞ্জিত কুমার সেন, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম উপস্থিত ছিলেন ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories