গাজীপুরের পূবাইল থানা এলাকার মাঝুখানে একতা ঝুট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী র্মাকেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে র্মাকটেরে ৫৮টি ঝুট ও তুলার গুদামসহ মালামাল পুড়ে ভশ্মিভূত হয়ে গেছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। টঙ্গীসহ উত্তরা, গাজীপুর ও তেজগাঁও অঞ্চলের ফায়ার র্সাভিসের ৮টি ইউনটি সাড়ে ৪ ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
পূবাইল থানা পুলশি, টঙ্গী ফায়ার র্সাভিস ও র্মাকটেরে ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল আনুমানিক সাড়ে র্মাকেটের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম নজুর র্বজিত তুলার গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুর্হুতের মধ্যে আগুন আশপাশের ঝুট ও তুলার গুদামে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আকার ধারণ করে। খবর পেয়ে টঙ্গীসহ আশপাশের ৮ টি ফায়ার ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ইতিমধ্যে মার্কেটের ব্যবসায়ী নজরুল, রশিদ, এনামুল হক, ফরহাদ, মোস্তাফিজুর রহমান টিটু, সোলেমান, রঞ্জু নরকার, ফরিদ-১, ফরিদ-২, মুসা, রতন মেম্বার, মাসুদ, মালেক, মিজান, কামাল, স্বপন বেপারী, খোকন, গিয়াস উদ্দিন, রায় বাবু, শাহীন, মালেক, আজাহার, শাহাবুদ্দিন, কাউছার, মিজানুর, শাকির, মোজাম্মেল, জামির আলী, দারু, ময়না মুন্সি, বাবলু ফকির, খোরশেদ, মুমিরুল, নুরুল ইসলাম, কাদির, রুবেল, শাহজালালসহ প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ীর ৫৮ টি গুদামে রাখা মালামাল পুড়ে ভশ্মভিূত হয়েছে। ফায়ার র্সাভিস র্কমীরা প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
এ অগ্নিকান্ডে ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েেছ বলে মার্কেট প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘একতা ঝুট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী র্মাকেট’র সিনি: সহ-সভাপতি মো. খলিলুর রহমান জানান। তিনি বলেন, যে দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সেখানে বৈদ্যুতিক কোন কাজ নেই। কয়েক মাসের ব্যবধানে পরপর দু-দুবার এধরণের অগ্নিকান্ডে আমাদের এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যে অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা সামলে উঠা বড় কঠিন।
এ বিষয়ে মার্কেট প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘একতা ঝুট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী র্মাকেট’র সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মোস্তাফিজুর রহমান টিটু বলেন, দেশব্যাপী মহামারী করোনা আর এডিস মশার তান্ডব চলছে। ফলে ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ হওয়ার পথে। এসময়ে আমাদের এই মার্কেটে পরপর দুবার ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ব্যবসায়ীরা পথে বসার উপক্রম হয়েছে। তিনি বলেন, সব কিছু মিলিয়ে ৫/৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকান্ডে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবী করেন।
এব্যাপারে টঙ্গী ফায়ার র্সাভিসের ষ্টেশন মাষ্টার মো.ইকবাল হাসান বলনে, এ মুর্হুতে আগুন লাগার সঠিক কারন বলা সম্ভব নয়। তদন্ত সাপেক্ষে এর কারন বেড়িয়ে আসবে। ঘটনার সাথে সাথে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগন, পূবাইল থানা পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাগন এবং স্থানীয় কাউন্সিলরবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ীদের শান্তনা দেন।
Leave a Reply