শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা করছে জাপান সৌদিতে নিহত শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ দেশে পৌঁছেছে সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশির মরদেহ শিশুকে যৌন নিপীড়নের কথা স্বীকার করতেই মাদ্রাসা শিক্ষককে পেটালেন শিশুটির বাবা, ভিডিও ভাইরাল ইউরোপে ভয়াবহ গরমে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু সংঘাতের স্থায়ী সমাধান চান পুতিন তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত পঞ্চগড় বোদা উপজেলায় এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী দেড় লাখ টাকাসহ আটক কালীগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে থানায় নেয়ায় সময় অজ্ঞাত কাভার্ডভ্যান  চাপায় এসআইসহ নিহত-২, আহত- ২

গাজীপুররের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে যৌন নির্যাতন ,শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৮ বার

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন কলমেশ্বর এলাকায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ আবাসিক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের পৈশাচিক অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক এবং ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে গাছা থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার মামলা রুজুর বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী এক শিশুর মায়ের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কলমেশ্বর এলাকার দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসা’র আবাসিক বিভাগের ৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে গত ১০, ১১ ও ১২ অক্টোবর রাতের বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার বলাৎকার করেন শিক্ষক মো. অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩)। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনাটি তার পরিবারকে জানায়। পরবর্তীতে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিবার জানতে পারে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক একই ভাবে মাদ্রাসার আরও অন্তত পাঁচজন শিশুর সঙ্গে এই জঘন্য আচরণ করেছেন।
স্বজনদের অভিযোগ, বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদ মিজান এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালান এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয়ভীতি দেখান। পরে বাধ্য হয়ে পরিবার গাছা থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন ১. মো. অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩), পিতা: মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ (গ্রেপ্তারকৃত); ২. মোহাম্মদ মিজান (৩৮) [মাদ্রাসার পরিচালক], পিতা: লাল মিয়া (গ্রেপ্তারকৃত); এবং ৩. মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪২), পিতা: মো. হারান শেখ।
গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এজাহার পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুদের সুরক্ষার স্বার্থে এবং শিশু নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল অপরাধ গোপন করার চেষ্টার সাথে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories