শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিশুকে যৌন নিপীড়নের কথা স্বীকার করতেই মাদ্রাসা শিক্ষককে পেটালেন শিশুটির বাবা, ভিডিও ভাইরাল ইউরোপে ভয়াবহ গরমে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু সংঘাতের স্থায়ী সমাধান চান পুতিন তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত পঞ্চগড় বোদা উপজেলায় এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী দেড় লাখ টাকাসহ আটক কালীগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে থানায় নেয়ায় সময় অজ্ঞাত কাভার্ডভ্যান  চাপায় এসআইসহ নিহত-২, আহত- ২ গাজীপুররের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে যৌন নির্যাতন ,শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, মেয়ে আশঙ্কাজনক জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত: রিজভী

পঞ্চগড় বোদা উপজেলায় এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী দেড় লাখ টাকাসহ আটক

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সড়কের কাজ তদারকির সময় নূরই আকরাম নামে এক উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে দেড় লাখ টাকা পাওয়ার ঘটনায় অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। 
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের গিদালপাড়া এলাকায় স্থানীয় লোকজন তাকে আটকে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়। 
নূরই আকরাম বোদা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সাকোয়া-নয়াদীঘি ভায়া বোয়ালমারী পাকা সড়কের নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তারা বারবার অভিযোগ করলেও কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী তাতে গুরুত্ব দেননি। কাজের মান ও বরাদ্দ সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে প্রকৌশলী সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তার পথ আটকে ব্যাগ তল্লাশি করতে চাইলে এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। 
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আটক উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে থাকা ব্যাগ নিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করছেন স্থানীয় কয়েকজন। একইসঙ্গে ব্যাগে টাকা থাকার দাবিও করা হয়। এসময় উপসহকারী প্রকৌশলী দাবি করেন পার্সোনাল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও টাকা আছে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে থাকা মোট দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করে তাকে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সময় প্রকৌশলী নূরই আকরাম দাবি করেন, টাকাগুলো তার ব্যক্তিগত এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য সঙ্গে রেখেছিলেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন।
বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনার পর থেকে তাকে পুলিশের হেফাজতে থানায় রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি এলজিইডির জেলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) পঞ্চগড় জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি গঠন করে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories