বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত, চাকরি হারালেন জগন্নাথপুরের সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পানির সংকটে কৃষকের হাহাকার ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

সীমান্তে অনিয়ম ঠেকাতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের কঠোর নজরদারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ বার

বিশ্বব্যাপী সরবরাহ সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার ও অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সুযোগ বন্ধ করতে তথ্যভিত্তিক নজরদারি, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের ১২ এপ্রিল থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেআইএমের বিভিন্ন অভিযানে ১১টি মামলা দায়ের, ১৩৮ জনকে গ্রেফতার এবং ১৫ হাজার ৬৪৭ রিঙ্গিত মূল্যের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, দেশের প্রবেশপথগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং জাতীয় ও রাজ্য নিরাপত্তার স্বার্থ সুরক্ষায় ঝুঁকিভিত্তিক ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিবাসন আইন প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় অনিয়ম শনাক্তে শুধু নিয়মিত তল্লাশি নয়, বরং তথ্য, ঝুঁকির ধরন এবং চলমান পরিস্থিতির ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা আরও কার্যকরভাবে শনাক্ত করার পাশাপাশি দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তিদের অনিয়মের সুযোগও সংকুচিত করা সম্ভব হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেআইএম জানিয়েছে, কৌশলগত স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে কমপ্লায়েন্স চেক বা আইন মেনে চলার বিষয়টি যাচাই আরও জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান ও কার্যক্রমকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, এ ধরনের স্মার্ট এনফোর্সমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অভিযান কমানো এবং সীমিত আইন প্রয়োগকারী সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করা, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জেআইএমের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগে কঠোরতা, পেশাদারিত্ব ও লক্ষ্যভিত্তিক কৌশল অনুসরণ করা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories