বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর কুমিল্লায় হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন গোলাম পরওয়ার : রাশেদ খান প্রকাশ্যে ভারতে বিরোধীতা করলেও তলে তলে আঁতাত করছে জামায়াত: আবু হানিফ বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের মৃত্যু

মালয়েশিয়ার জোহরে ৩২ বাংলাদেশি আটক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৫ বার

মালয়েশির জোহর রাজ্যে যৌথ অভিবাসন অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটকদের মধ্যে ৩২ জনই বাংলাদেশি।
বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ ও মালয়েশিয়া সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস) যৌথভাবে অংশ নেয়।
তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও নজরদারির ভিত্তিতে বিদেশিদের পরিচালিত বা বিদেশি কর্মী নিয়োজিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসন আইন মেনে বিদেশিদের অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাস ও অন্যান্য অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহার রোধ করা।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে রয়েছেন ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের নাগরিক এবং তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুইজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুইজন নেপালের নারী।
জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন প্রবিধান ১৯৬৩ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি সাধারণ জনগণকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তার মতে, এ ধরনের সহযোগিতা দেশের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories