শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টিএফআই সেল তদন্তে নতুন তথ্য: চিফ প্রসিকিউটর ঢামেক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মির্জা আব্বাস শিগগিরই চালু হবে টাঙ্গাইল কটন মিল : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী কোলের শিশুদের জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত গণ-পরিবহনে আজ থেকে জিপিএস বাধ্যতামূলক থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ছুটির দিনে রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক

শিক্ষার্থীরা ভাইরাল হতে চায়: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৬ বার

শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা বিবর্জিত জায়গায় যাচ্ছে, তারা ভাইরাল হতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আজকের তরুণ প্রজন্ম, এমনকি যারা ইউনিফর্ম পরে, তারাও তাদের শিক্ষক কিংবা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের অশালীন মন্তব্য করতে দ্বিধা করে না। রোববার (২৬ এপ্রিল) গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আপনি কি ভেবে দেখেছেন, এখনকার সময়ে অনেকেই ফেসবুকে লাইভে এসে এমনভাবে মন্তব্য করেন, যা একেবারেই অযাচিত ও অসংলগ্ন। তারা ‘হাই’, ‘গো অ্যাহেড’, ‘ডু আ রিসার্চ’ এ ধরনের নানা মন্তব্য করেন। এটি অনেক সময় উদ্দেশ্যহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ফেসবুক লাইভ দেখা এবং ভাইরাল হওয়ার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এ অবস্থায় আমাদের ইয়াং জেনারেশনকে নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আজকের তরুণ প্রজন্ম, এমনকি যারা ইউনিফর্ম পরে, তারাও তাদের শিক্ষক কিংবা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের অশালীন মন্তব্য করতে দ্বিধা করে না। প্রশ্ন উঠছে আমরা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছি? আমরা কি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাচ্ছি? আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড যা দেশের ভবিষ্যৎ শক্তি হওয়ার কথা তা কি আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছি
তিনি বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আমরা দেখছি, আমাদের দেশের উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব অন্য দেশে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেডমার্ক পাচ্ছে, কিন্তু আমরা নিজের দেশে যথাযথভাবে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারছি না, মূলত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories