শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ষন মামলার অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ টঙ্গীতে মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসন-দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য : মীর শাহে আলম হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট ব্যাকআপ বা রিস্টোর হচ্ছে না? সহজেই সমাধান করবেন যেভাবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম চোখে সংক্রমণে আক্রান্ত রণবীর কাপুর, ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার উন্মোচনে থাকতে পারেন কালো চশমায় এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য টোল নেবে ইরান ও ওমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ বার

অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।
যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি আদায়ের পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির সূত্র দিয়ে এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতি চলাকালে এই নৌপথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপের বিষয়ে দেশ দুটি একমত হয়েছে।
তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, জাহাজ চলাচল থেকে সংগৃহীত এই অর্থ পুনর্গঠন কাজের জন্য বরাদ্দ করা হবে।
উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় বর্তমানে এই রুট দিয়ে মাত্র ৫ শতাংশ জাহাজ চলাচল করছে। তবে কিছু তেলবাহী ট্যাঙ্কার এই পথ ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে; উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ নিশ্চয়তা আদায় করে নিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারাপারের জন্য প্রতিটি জাহাজ থেকে ইরান ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৪ কোটি টাকা) পর্যন্ত ফি দাবি করছে বলে তথ্য রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি এই বিশাল অংকের অর্থ পরিশোধ করেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories