শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নেপালে উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে, ফুরাচ্ছে নিখোঁজদের জীবিত ফেরার আশা রিজভী-লিংকনের নতুন দায়িত্বে গাইবান্ধায় ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল রোমান্টিক নাটক-সিনেমা বন্ধের নোটিশ: প্রতিবাদী টিভির শিল্পী-কুশলীরা ঢাকায় আসছেন রোমানিয়ান পপ তারকা ওটিলিয়া জাহান্দার এমপিকে ইতালির মিলানে ফুলেল শুভেচ্ছা গত ১৭ বছরে নারীর প্রতি সহিংসতা সবচেয়ে বেশি হয়েছে: ড. তিতুমীর আপিল বিভাগের বিচারপতি হলেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি সালমান শাহ হত্যা : ডন পাঁচ দিনের রিমান্ডে একই উইন্ডোতে ব্রাজিল-উরুগুয়ে, ভারতের ফুটবলে বিশ্বকাপের আমেজ রোমে যুব উন্নয়ন ব্যবসায়ী সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ

ইরানের হামলার জেরে চরে আটকে পড়েছে থাই পণ্যবাহী জাহাজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৩ বার

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার মধ্যেই হামলার শিকার থাইল্যান্ডের একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের কেশম দ্বীপের কাছে আটকে পড়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার শিকার হয়েছিল জাহাজটি। বিস্ফোরণে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগার পর নাবিকরা জাহাজ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই ঘটনায় এখনও ৩ নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, হরমুজ প্রণালিতে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি থাই পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ ইরানের কেশম দ্বীপের কাছে গিয়ে আটকে পড়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা। শুক্রবার (২৭ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি মাসের শুরুর দিকে হামলার শিকার হওয়া জাহাজটি পরে কেশম দ্বীপের উপকূলের কাছে গিয়ে ভূপৃষ্ঠে আটকে যায়।
থাইল্যান্ড জানিয়েছে, জাহাজটির ২০ জন নাবিককে ওমানের নৌবাহিনী উদ্ধার করেছে। তবে জাহাজের পেছনের অংশে বিস্ফোরণের পর ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগায় তিনজন নাবিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
‘মায়ুরি নারে’ নামের এই জাহাজটি গত ১১ মার্চ হামলার শিকার হয়। এরপর নাবিকরা জাহাজটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, হামলার পর পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা জাহাজটি পরে আটকে পড়ে। তিনজন নাবিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম ও ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কেশম দ্বীপের রামচাহ গ্রামের কাছে জাহাজটি আটকে গেছে। তবে কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে জাহাজটিতে আঘাত করা হয়েছে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলেও জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
কেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালির উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত এবং এটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত অর্থ দিতে হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই দ্বীপেই ইরানের তথাকথিত ‘মিসাইল সিটি’ রয়েছে। গুহা ও সুড়ঙ্গের জটিল নেটওয়ার্কের মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্র নগরী নির্মিত। খার্গ দ্বীপের মতো এখানেও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুদ রয়েছে এবং এটি সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories