মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে উন্নয়ন ও সংস্কার নিয়ে আইইবির মতবিনিময় সভা পানি, বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে : আফরোজা খানম বিজিবির মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন, সর্বস্তরে মাছ চাষের আহ্বান মহাপরিচালকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন ও শামার দায়িত্ব বণ্টন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, রোহিঙ্গা ও অভিবাসন সহযোগিতা নিয়ে খলিলুর-সারাহ কুক বৈঠক দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের তিন ধাপের কৌশল তুলে ধরলেন ড. তিতুমীর সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ৩,১০০ রিঙ্গিত করার দাবি এমটিইউসির পেনাংয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প, দুই দিনে পাঁচ শতাধিক প্রবাসীকে সেবা প্রদান

গুরুতর অপরাধে ৯ প্রবাসীর দোষ স্বীকার, গচ্চা দিলেন ৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৬ বার

যুক্তরাষ্ট্রে ত্রাণ তহবিল আত্মসাৎ ও চুরির ঘটনায় ৯ প্রবাসী দোষ স্বীকার করেছেন। তাদের মধ্যে আটজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং একজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে করোনা মহামারির সময় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছিলেন তারা।
কুইন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মেলিন্ডা ক্যাটজ ও নিউইয়র্ক স্টেট ইন্সপেক্টর জেনারেল লুসি ল্যাং শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসামিরা কুইন্স সুপ্রিম কোর্টে দোষ স্বীকার করেন। আদালত তাদের মোট ১০ লাখ ৯১ হাজার ৭২০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে সাত লাখ ৬০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা) ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, ২০২০ সালের জুন থেকে আসামিরা ‘এম্পায়ার স্টেট ডেভেলপমেন্ট প্যান্ডেমিক স্মল বিজনেস রিকভারি গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম’-এর আওতায় একাধিক ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে আবেদন করেন। আবেদনে কর্মচারীদের বেতন, ভাড়া ও অন্যান্য খরচের কথা উল্লেখ করা হলেও অধিকাংশ অর্থ ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। ব্যাংক ও কর নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তহবিল পাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রমাণ মেলেনি।
ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি বলেন, ‘দুর্যোগকালে জনস্বার্থের তহবিল আত্মসাৎ গুরুতর অপরাধ। ইন্সপেক্টর জেনারেলও জানান, জনকল্যাণের অর্থ ব্যক্তিগত লাভে ব্যবহার কোনোভাবেই সহনীয় নয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories