মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে উন্নয়ন ও সংস্কার নিয়ে আইইবির মতবিনিময় সভা পানি, বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে : আফরোজা খানম বিজিবির মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন, সর্বস্তরে মাছ চাষের আহ্বান মহাপরিচালকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন ও শামার দায়িত্ব বণ্টন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, রোহিঙ্গা ও অভিবাসন সহযোগিতা নিয়ে খলিলুর-সারাহ কুক বৈঠক দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের তিন ধাপের কৌশল তুলে ধরলেন ড. তিতুমীর সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ৩,১০০ রিঙ্গিত করার দাবি এমটিইউসির পেনাংয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প, দুই দিনে পাঁচ শতাধিক প্রবাসীকে সেবা প্রদান

ইরানের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী, হুঁশিয়ারি তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৯ বার

ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শত্রুপক্ষের যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপ বা ভুল হিসাবের জবাব তাৎক্ষণিক ও বাস্তব সময়েই দেয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষ করে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আকরামি-নিয়া বলেন, শত্রুর পক্ষ থেকে কোনো বেপরোয়া বা অবিবেচক পদক্ষেপ নেয়া হলে ইরান সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাবে। তিনি পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির কথা তুলে ধরে বলেন, ১৯৭০-এর দশক থেকে এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের তিনটি মূল কৌশল ছিল- কমিউনিজম ঠেকানো, পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থার নিরাপত্তা বজায় রাখা।
তিনি আরও জানান, ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নীতিতে আংশিক পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তীতে তা ২০২৬ সালের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই নথিতে আমেরিকা মহাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিকে অগ্রাধিকার দেয়া হলেও ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বহাল রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইরানের সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র বলেন, ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করে আসছে, যা মূলত একটি সমন্বিত ‘হাইব্রিড যুদ্ধের’ অংশ।
তিনি বলেন, শত্রুর সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে এবং সামান্যতম হামলারও জবাব সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হবে। তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে আরও বলেন, এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আওতার মধ্যেই রয়েছে এবং কোনো সংঘাত শুরু হলে তা পুরো পশ্চিম এশিয়াজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories