বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর কুমিল্লায় হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন গোলাম পরওয়ার : রাশেদ খান প্রকাশ্যে ভারতে বিরোধীতা করলেও তলে তলে আঁতাত করছে জামায়াত: আবু হানিফ বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের মৃত্যু

আরব বসন্তের ১৫ বছর: মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় আশা, হতাশা ও পরিবর্তনের গল্প

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার

আরব বসন্ত ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাজুড়ে সংঘটিত গণতন্ত্রপন্থী গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের এক ঐতিহাসিক ঢেউ, যার সূচনা ঘটে ২০১০-২০১১ সালে। এই আন্দোলনগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষকে প্রকাশ করে এবং অঞ্চলজুড়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশা জাগিয়ে তোলে। এই ঢেউয়ের সূচনা হয় তিউনিসিয়া ও মিসরে, যেখানে ব্যাপক গণপ্রতিবাদের মুখে অল্প সময়ের ব্যবধানে সরকারপ্রধানকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়। এসব সাফল্য অন্যান্য আরব দেশেও অনুরূপ আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জোগায়। তবে সব দেশে এই প্রতিবাদ একই রকম ফল বয়ে আনেনি।
আরব বসন্তের পথ ছিল আশা ও হতাশার মিশেলে ভরা। তবুও আরব বসন্ত ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়, যা নাগরিক সচেতনতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং ক্ষমতার প্রশ্নে আরব বিশ্বের সমাজগুলোকে স্থায়ীভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। এসব আন্দোলনের প্রভাব-পরিণতি দেশভেদে ভিন্ন ছিল। পৃথক দেশগুলোর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখা যেতে পারে তিউনিসিয়ার জুঁই বিপ্লব, ২০১১ সালের মিসর অভ্যুত্থান, ২০১১-১২ সালের ইয়েমেন অভ্যুত্থান, ২০১১ সালের লিবিয়া বিদ্রোহ এবং সিরীয় গৃহযুদ্ধ।
তিউনিসিয়ার জুঁই বিপ্লব
২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিউনিসিয়ার মধ্যাঞ্চলে শুরু হয় প্রথম বিক্ষোভ। এ বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে ওই বছরের ১৭ ডিসেম্বর মোহাম্মদ বুয়াজিজির আত্মদাহের মাধ্যমে। বুয়াজিজির ছিলেন ২৬ বছর বয়সী একজন ফুটপাত দোকানি, যিনি স্থানীয় কর্মকর্তাদের রুঢ় আচরণের প্রতিবাদে নিজেকে আগুনে পুড়িয়ে দেন। বুয়াজিজির আত্মদাহের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে লাখো জনতা। গণমাধ্যমে ওই প্রতিবাদ আন্দোলনকে ‘জুঁই বিপ্লব’ নামে অভিহিত করা হয় এবং এটি দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তিউনিসীয় সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক সহিংস হয়। তবে শেষমেশ নিরাপত্তা বাহিনী ওই প্রতিবাদ আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। যার ফলে প্রেসিডেন্ট জিন আল-আবিদিন বেন আলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। পদত্যাগের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটে তার ২৩ বছরের শাসন ক্ষমতার।
২০১১ সালের অক্টোবর মাসে তিউনিসীয়রা একটি মুক্ত নির্বাচনে অংশ নেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একজন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে একটি নতুন সংবিধান জারি করা হয়।
মিসর অভ্যুত্থান
তিউনিসিয়ায় বেন আলির অপসারণে অনুপ্রাণিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তরুণ মিসরীয়দের মধ্যে দ্রুত একইভাবে প্রতিবাদ সংগঠিত হয়। যার ফলে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি মিসরজুড়ে বিপুল জনসমাগম ঘটে। মিসরীয় সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংস দমন-পীড়ন চালিয়ে প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। কায়রোসহ সারাদেশে কয়েক দিনের ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের পর মাসের শেষে একটি মোড় ঘুরে যায়। মিসরীয় সেনাবাহিনী ঘোষণা দেয়—তারা প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করতে অস্বীকৃতি জানাবে। সামরিক বাহিনীর সমর্থন হারিয়ে মোবারক প্রায় ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ওই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করেন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের একটি পরিষদের হাতে।
ইয়েমেন অভ্যুত্থান
ইয়েমেন; যেখানে প্রথম প্রতিবাদ ২০১১ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে শুরু হয়। প্রেসিডেন্ট আলি আব্দুল্লাহ সালেহের জনসমর্থনের ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী কয়েকজন উপজাতীয় ও সামরিক নেতা গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত হন এবং তার পদত্যাগ দাবি করেন। সালেহকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য আলোচনা ব্যর্থ হলে অনুগত বাহিনী ও বিরোধী যোদ্ধাদের মধ্যে সানায় সংঘর্ষ শুরু হয়। ২০১১ সালের জুন মাসে এক বোমা হামলায় আহত হওয়ার পর সালেহ চিকিৎসার জন্য ইয়েমেন ত্যাগ করেন, যা বিরোধীদের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের আশা জাগায়। তবে চার মাস পর তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে দেশে ফিরে আসেন, যা ইয়েমেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়ে তোলে। ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে সালেহ আন্তর্জাতিকভাবে মধ্যস্থতাকৃত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যেখানে ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর হাদির কাছে ধাপে ধাপে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বলা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, হাদি অবিলম্বে শাসনভার গ্রহণ করেন এবং ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একক প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে পরিস্থিতির উন্নতি বা স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় হাদির সরকার সশস্ত্র সংঘাত ও বিদ্রোহের মুখে পড়ে, যা ২০১৪ সালে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
বাহরাইন গণঅভ্যুত্থান
২০১১ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি বাহরাইনে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন বাহরাইনি মানবাধিকার কর্মী ও বাহরাইনের প্রান্তিক শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সদস্যরা। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আগত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় বাহরাইনের নিরাপত্তা বাহিনী সহিংসভাবে এই বিক্ষোভ দমন করে। মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ব্যাপক প্রতিবাদী ওই আন্দোলন থেমে যায়। আন্দোলন থেমে গেলে পরবর্তী সময়ে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বহু প্রতিবাদী নেতা দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাবন্দি হন, অসংখ্য শিয়া শ্রমিককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং বহু শিয়া মসজিদ সরকার ধ্বংস করে দেয়। ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে বাহরাইনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন সিদ্ধান্ত দেয় যে, সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও নির্যাতন করেছে। সরকার কমিশনের কিছু সংস্কারমূলক সুপারিশ বাস্তবায়ন করলেও পরবর্তী বছরগুলোতে বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর ওপর আরও কঠোর দমন-পীড়ন চালায়।
লিবিয়ায় বিদ্রোহ
২০১১ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির শাসনের বিরুদ্ধে লিবিয়ায় বিক্ষোভ শুরু হয়, যা দ্রুত সশস্ত্র বিদ্রোহে রূপ নেয়। মার্চ মাসে বিদ্রোহী বাহিনী যখন পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়, তখন ন্যাটোর নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক জোট গাদ্দাফির বাহিনীর বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করে। ন্যাটোর হস্তক্ষেপ শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহীদের পক্ষে সামরিক ভারসাম্য বদলে দিলেও গাদ্দাফি রাজধানী ত্রিপোলিতে আরও কয়েক মাস ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হন। ২০১১ সালের আগস্টে বিদ্রোহী বাহিনী ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণ নিলে গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হন। কয়েক সপ্তাহ আত্মগোপনে থাকার পর, ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে সির্তে শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সময় বিদ্রোহী বাহিনীর হাতে তিনি নিহত হন। বিদ্রোহীদের দ্বারা গঠিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রানজিশনাল ন্যাশনাল কাউন্সিল ক্ষমতা গ্রহণ করে। কিন্তু দেশটির ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাদের ব্যর্থতা ২০১৪ সালে গৃহযুদ্ধের সূচনা ঘটায়।
সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ
২০১১ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আসাদ সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নির্মম দমন-পীড়ন চালায়, যা আন্তর্জাতিক নেতা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিন্দা কুড়ায়। আগস্ট মাসে ইস্তাম্বুলে সিরীয় বিরোধীদের একটি নেতৃত্ব পরিষদ গঠিত হয় এবং বিরোধী মিলিশিয়ারা সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা শুরু করে। এই অস্থিরতার মধ্যেও আসাদের ক্ষমতার ভিত শক্ত ছিল। কারণ, তিনি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ইউনিটগুলোর সমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হন। যেগুলো মূলত সিরিয়ার আলাওয়ি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়ে গঠিত, যে সম্প্রদায়ের সদস্য আসাদ নিজেও ছিলেন।
রাশিয়া ও চীন ২০১১ সালের অক্টোবর এবং ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোতে ভেটো দেয় এবং সিরিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ বা আসাদের ক্ষমতা অপসারণে সহায়ক কোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করার অঙ্গীকার করে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে আরব লীগের শান্তি পর্যবেক্ষক দলের আগমনও সহিংসতা কমাতে ব্যর্থ হয়। বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের অর্থায়ন ও অস্ত্র সহায়তায় সহিংসতা আরও তীব্র হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত এটি এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়, যার ফলে লাখ লাখ মানুষ শরণার্থী হতে বাধ্য হয়।
আরব বসন্তের প্রভাব শুধু একটি বা দুটি দেশে সীমাবদ্ধ ছিল না। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার নানা দেশেই এর প্রতিধ্বনি শোনা যায়। বহু দেশে সীমিত পরিসরে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ দেখা দেয়। আলজেরিয়া, জর্ডান, মরক্কো ও ওমানে শাসকরা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নানা পদক্ষেপ নেন—কখনো সরকারি কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করেন, আবার কোথাও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেন।
২০১১ সালের প্রতিবাদ আন্দোলনগুলো ছিল ওই অঞ্চলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এক অভূতপূর্ব সংগ্রাম। তবে দুর্নীতি দমন ও নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নের দাবি আরব বসন্তের সঙ্গেই থেমে যায়নি। পরবর্তী বহু বছর ধরে এসব দাবিকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ চলতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আলজেরিয়ায় গণবিক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্ট আবদেল আজিজ বুতেফলিকার সরকারের পতন ঘটে। একই বছরের এপ্রিলে সুদানে কয়েক মাসের টানা আন্দোলনের পর সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের টানা ৩০ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়।
ইরাক ও লেবানন আনুষ্ঠানিকভাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও বিভক্ত রাজনৈতিক দল ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণে তারা বড় সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়। ফলে ২০১৯ ও ২০২০ সালে এই দুই দেশেও ব্যাপক গণবিক্ষোভ দেখা যায়। যদিও এসব আন্দোলন সরাসরি একে অপরের দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল না, তবু তাদের বিস্তৃতি ও অভিন্ন অভিযোগের কারণে অনেক বিশ্লেষক এই নতুন প্রতিবাদ-ঢেউকে ‘দ্বিতীয় আরব বসন্ত’ নামে অভিহিত করেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories