শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পথ শিগগিরই সুগম হবে’ সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজের জিডি, উদ্ধার ১৩ হাজার ৬৭৯ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন তিন কর্মকর্তা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে : পরিবেশমন্ত্রী দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

২০২৬ বিশ্বকাপ ৪৮ দলের হওয়ায় বাড়বে ফুটবল ফ্যানবেজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩ বার

আজ ফুটবল বিশ্বকাপের ড্র। জমকালো আয়োজন শুরু হবে রাত ১১টায়। প্রথমবারের মতো ২০২৬ বিশ্বকাপ ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায় নতুন সমর্থকের সংখ্যা বাড়বে বলে দাবি করেছেন ফিফার দুই কর্তা জিল এলিস ও আর্সেন ওয়েঙ্গার। এদিকে নির্দিষ্ট সময়ে ম্যাচ শেষ করতে ব্যবহৃত হবে উন্নত প্রযুক্তি, আরও কঠোর ভূমিকা নেবেন রেফারিরা। ড্র ঘিরে শেষ মুহূর্তের অপেক্ষায় রোমাঞ্চিত যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ।
বিশ্বকাপ ড্রয়ে বাকি মাত্র কয়েক ঘণ্টা। যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে কৌতূহল ও উদ্দীপনা। বিশেষ করে ড্র ভেন্যু ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন বার ও পাবে ফুটবলপ্রেমীদের সমাগম বাড়তে শুরু করেছে। এসব পানশালায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ড্র অনুষ্ঠান। একদিকে ‘সকার’ নামে পরিচিত ফুটবলকে দেশে আরও জনপ্রিয় করে তোলার প্রত্যাশা, অন্যদিকে টিকিটের উচ্চমূল্য ও ট্রাম্পের কড়াকড়ি অভিবাসন নীতির কারণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে অনেক মার্কিন নাগরিকের মধ্যে।
১০৪ ম্যাচের বিশাল এই ফুটবল আসরের ড্র অনুষ্ঠানের আগে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সংবাদ সম্মেলন করছেন ফিফার বিভিন্ন সেক্টরের কর্মকর্তারা। সে ধারাবাহিকতায় ফিফার চিফ ফুটবল অফিসার জিল এলিস ও চিফ অব গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট আর্সেন ওয়েঙ্গার জানিয়েছেন ৪৮ দলের বিশ্বকাপের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে।
ফিফার চিফ ফুটবল অফিসার জিল এলিস বলেন, যারা কখনও ফুটবল দেখেনি, আমার বিশ্বাস তারাও সামনের গ্রীষ্মে টিভির পর্দায় চোখ রাখবে। নতুন এক শ্রেণির সমর্থক তৈরি হবে এবং ফুটবলের ফ্যানবেস আরও বড় হবে। দল বাড়ানোর সবচেয়ে বড় সুবিধা এটি।
ফিফার চিফ অব গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট আর্সেন ওয়েঙ্গার বলেন, ৪৮ দলের বিশ্বকাপ হওয়ায় শুরুতে শক্তিমত্তার পার্থক্য ও খেলার মান নিয়ে কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। তবে এখন আমি আত্মবিশ্বাসী। আমরা দেশে দেশে ফুটবল বিষয়ে শিক্ষা দিয়েছি, যা ভালো মানের ফুটবলার গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। এতে শক্তির ব্যবধান কমেছে। এর প্রভাব সামনের বিশ্বকাপে দেখতে পাবেন।
রেফারিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে আসছে প্রযুক্তির নতুন সংযোজন। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেফারিরা আরও সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। বিশেষ করে গোলরক্ষকরা বল হাতে আট সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে রাখতে পারবেন না এ নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ হবে।
ফিফা রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান পিয়েরলুইজি কলিনা বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারে আগের দুই বিশ্বকাপের তুলনায় এবারেরটিতে দিন-রাতের পার্থক্য অনুভব করবেন। রেফারির সঙ্গে থাকবে বডি ক্যামেরা। এতে দর্শকরাও নিজেদের রেফারির অংশ মনে করবেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories