ম্যাচের আগের দিনই আন্টিকে হারিয়েছেন। সেই শোক নিয়েই দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা কোপা লিবার্তাদোরেসের ফাইনালে নেমেছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা দানিলো। তবে শোককে শক্তিতেই পরিণত করলেন ফ্ল্যামেঙ্গোতে খেলা এই তারকা। গোল দিয়ে দলকে শিরোপা জিতিয়ে হয়ে গেলেন ইতিহাসের অংশ।
রোববার (৩০ নভেম্বর) পেরুর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আরেক ব্রাজিলিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী পালমেইরাসকে ১–০ গোলে হারিয়ে কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপা জিতেছে ফ্লামেঙ্গো। ৬৭তম মিনিটে শিরোপা নির্ধারণী একমাত্র গোল করেন ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক দানিলো। খবর রয়টার্সের।
এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপা জিতেছে ফ্ল্যামেঙ্গো। প্রথম ব্রাজিলিয়ান ক্লাব হিসেবে এই রেকর্ড গড়ল তারা। সবশেষ ২০২২ সালে শিরোপা জিতেছিল তারা।
ম্যাচ শেষে পরিবারকেই গোলটি উৎসর্গ করেন দানিলো। তিনি বলেছেন, ‘সবাই জানে আমি ফ্ল্যামেঙ্গোর সমর্থক এবং আমি (ইউরোপ থেকে) ফিরে এসে এই ক্লাবের হয়ে খেলতে কতটা মুখিয়ে ছিলাম। এই জয়টা বিশেষ। আমার আন্টি গতকাল মারা গেছেন। আমার বাবাকে (পেরু থেকে) সেখানে ফিরে যেতে হয়েছে। তিনিও ফ্ল্যামেঙ্গো সমর্থক। আমি এই জয়টা তাকে এবং আমার পুরো পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই।
২০১১ সাল থেকে ব্রাজিল জাতীয় দলে খেলছেন দানিলো। সেখানে ৬৭ ম্যাচ খেলে একবার লক্ষ্যভেদ করেছেন এই ডিফেন্ডার। ইউরোপের লিগে তার ক্যারিয়ার বেশ বর্ণাঢ্য।
২০১২ সালে ইউরোপে পাড়ি দিয়ে প্রথমে খেলেছেন পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তোতে। এরপর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন তিনি। পরে খেলেন ম্যানচেস্টার সিটিতে। আর সবচেয়ে দীর্ঘ সময়, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জুভেন্টাসে খেলে আবারও ফেরেন ব্রাজিলে।
Leave a Reply