২০২৬ বিশ্বকাপের দল সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৮। আর এতেই যেন একের পর এক ইতিহাসের সাক্ষী হচ্ছে ফুটবলবিশ্ব। জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে কেপ ভার্দের টিকিট কাটার পর, এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ইতিহাস লিখল কুরাসাও। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে বিশ্বসেরার মঞ্চে দেখা যাবে উত্তর আমেরিকার এই দ্বীপরাষ্ট্রকে।
গত শুক্রবার বারমুডাকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপে এক পা দিয়েই রেখেছিল কুরাসাও। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাতে জ্যামাইকার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পৌঁছে গেল কনক্যাকাফ অঞ্চলের এই দেশটি।
কুরাসাওয়ের এই অর্জন ভৌগোলিক কারণে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ১ লাখ ৫৬ হাজার এবং আয়তন মাত্র ৪৪৪ বর্গকিলোমিটার। এর আগে আয়তনের দিক থেকে কেপ ভার্দে (৪০০০ বর্গকিলোমিটার) ক্ষুদ্রতম দেশের স্বীকৃতি পেলেও, কুরাসাও সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ল। ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত দেশটি মূলত দুটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। একটি হলো কুরাসাও মূল দ্বীপ এবং অন্যটি জনবসতিহীন ‘লিটল কুরাসাও’।
কনক্যাকাফ অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘এইচ’ থেকে ৬ ম্যাচে ৩ জয় ও ৩ ড্রয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে শেষ করেছে কুরাসাও। দলের এই সাফল্যের পেছনে প্রধান দুই নায়ক হলেন কোচ ডিক অ্যাডভোকাট এবং ফরোয়ার্ড জেরভেন কাস্টনিয়ার, যিনি বাছাইপর্বের পাঁচটি ম্যাচে ৫ গোল করেছেন।
Leave a Reply