বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে : রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম নির্ধারণের চেয়ে বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে: সড়কমন্ত্রী গাজীপুরে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ: ভোগান্তিতে যাত্রীরা গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান গ্রেপ্তার ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৬ সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহ ভিত্তিক স্কিম, সংসদে যাচ্ছে বিল

ব্লাড সুগার লো, কোন ফল খাবেন ও কোনটি খাবেন না, জানালেন চিকিৎসক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯ বার
ব্লাড সুগার লো, কোন ফল খাবেন ও কোনটি খাবেন না, জানালেন চিকিৎসক

ব্লাড সুগার বা রক্তে শর্করা হচ্ছে রক্তে থাকা গ্লুকোজ বা চিনি। যা শরীরের শক্তির প্রধান উৎস। এই শর্করা আসে খাবার থেকে এবং এটিকে শরীর কোষে কোষে পৌঁছে দেয়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ডায়াবেটিসসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যতালিকায় সচেতন থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে অনেকেই ভরসা রাখেন ফলমূলে। ফল হচ্ছে প্রকৃতির নিজস্ব মিষ্টি স্বাদ। ফল খাওয়া ভালো। কিন্তু মিষ্টির পরিবর্তে ফল খাওয়া হলেও এটা ধারণা করা যাবে না যে, রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়বে না। কেননা, কিছু ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকে। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হলে ফল খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে।
ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়ায় রক্তে শর্করার জন্য ভালো ও খারাপ ফলমূল নিয়ে কথা বলেছেন নিউ জার্সির এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ড. অ্যালেসিয়া রোহেনেল্ট। তার মতে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে ভালো ফল হচ্ছে বেরি, যা গ্লুকোজ বৃদ্ধির ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। এ চিকিৎসক বলেন, অধিকাংশ ধরনের বেরির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে এবং রক্তে শর্করার বৃদ্ধিও কম হয়। আবার ব্লুবেরির মতো ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
এ বিশেষজ্ঞ ব্যাখ্যা করেছেন, রাস্তার মাঝে এমন কিছু ফল রয়েছে, যা পরিমিত পরিমাণ খাওয়া নিরাপদ। পাথরের ফল হচ্ছে একটি মাংসর বাইরের অংশ থাকে, যা পিট নামক শক্ত, পাথুরে খোলসকে ঘিরে থাকে এবং এতে বীজ থাকে। এ জন্য পাথরের ফল ভালো। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গোলাকার ফল যেমন- আপেল, পীচ, নাশপাতির মতো ফল। এসব পরিমিত পরিমাণে ঠিক থাকে। এ জন্য দিনে একটি সম্পূর্ণ ফল খাওয়া ঠিক।
এসব ফল পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার কথা বলা হয়। কারণ, এসব ফলেও রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য আপনার খাওয়ার প্রক্রিয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসক এসব ফলকে স্বাস্থ্যকর চর্বির সঙ্গে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন।
অ্যালেসিয়া রোহেনেল্ট বলেন, এ ধরনের ফলমূল কোনো ধরনের চর্বি বা প্রোটিনের সঙ্গে মিলিয়ে খাবেন। যেমন- চিনি ছাড়া সামান্য চিনাবাদম মাখিয়ে খাওয়া। যা গ্লুকোজের নিঃসরণ কমানো ও ইনসুলিনের স্পাইক প্রতিরোধের কার্যকর উপায়।
খারাপ ফল:
স্বাভাবিকভাবেই কিছু ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকে। অর্থাৎ―ফল খাওয়ার আগে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষজ্ঞ অ্যালেসিয়া রোহেনেল্ট জানিয়েছেন, রক্তে শর্করার জন্য সবথেকে খারাপ ফল হচ্ছে আঙুর, কলা, তরমুজ। এসব রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এসব ফল পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। একটি আঙুর বা মাত্র তরমুজের কয়েক টুকরো খেতে পারেন। একটি কলা খেতে ইচ্ছা হলেও খাওয়া ঠিক নয়, অর্ধেক খাওয়া উচিত বা কিছুটা সবুজ রঙের কলা বেছে নেয়া উচিত। কারণ, তাতে চিনির পরিমাণ কিছুটা কম থাকে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories