মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে ঢাকায় ভারতীয় বাণিজ্য প্রতিনিধিদল মন্ত্রিপরিষদ ও জনপ্রশাসন সচিবের চুক্তির মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি করেছে সরকার দেশে ২০ বছরে কোন উন্নয়ন হয়নি: মীর শাহে আলম শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ ফেল, মাদ্রাসা সুপারকে শোকজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নারীসহ নিহত-৩ ঢাকার ব্যস্ততম সড়কের জন্য ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীদের জন্য ১০০টি : সড়কমন্ত্রী পিএসসি চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করছেন অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম॥ কিন্তু কেন ?

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫১ বার

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।
এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।
এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।
তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।
ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।
প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।
এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories