সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ৩ নার্সকে বদলি স্বাধীন দেশে কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না : রাষ্ট্রপতি বিইউপি’র পশ্চিম ক্যাম্পাসে নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া নাফ নদীতে বিজিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ ৩ মাদক পাচারকারী আটক রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ডিএমপিতে রদবদল, নতুন দায়িত্বে ৮ ডিসি-এডিসি

মালয়েশিয়ায় ক্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল প্রবাসী ফরহাদের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৬ বার

দিনবদলের স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন যশোরের ফরহাদ হোসেন রনি (৩১)। কিন্তু ভাগ্য তাকে ফিরতে দিল না সাফল্য নিয়ে, ফিরছেন লাশ হয়ে। শনিবার (৫ জুলাই) মালয়েশিয়ার শেরেমবান শহরে একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় একটি ক্রেনের চেইন ছিঁড়ে গিয়ে ফরহাদের ওপর পড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ফরহাদ যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী গ্রামের মাহামুদ সরদারের একমাত্র ছেলে।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করে মালয়েশিয়া পাড়ি দেন ফরহাদ। সেখানকার একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় তার পাশেই কাজ করছিলেন একই গ্রামের আরেক শ্রমিক আবদুল কুদ্দুস। সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ ক্রেনের চেইন ছিঁড়ে ফরহাদের গায়ের ওপর পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার খবরটি সকাল ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে জানান কুদ্দুস। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকেরা মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। আশা করা হচ্ছে, মঙ্গলবারের মধ্যেই মরদেহ দেশে পৌঁছাবে।
ফরহাদের বাবা মাহামুদ সরদার ভেঙে পড়েছেন একেবারে। তিনি বলেন,‘ফরহাদ ছিল আমার একমাত্র ছেলে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ওকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। এখন সে স্বপ্নটাই ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছিলাম ওকে পাঠাতে, এখনো সব শোধ হয়নি। এখন কিভাবে চলব, ওর স্ত্রী আর পাঁচ বছরের মেয়েটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।
ফরহাদের পরিবারে রয়েছেন তার স্ত্রী, পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে, মা-বাবা এবং বিবাহিত বোন। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও অনিশ্চয়তা।
প্রবাসী জীবনের নির্মম বাস্তবতা ফের প্রমাণ করল স্বপ্নের দেশে সব সময় স্বপ্ন পূরণ হয় না। অনেক সময় তা পরিণত হয় হৃদয়বিদারক এক ট্র্যাজেডিতে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories