হে জাতির পিতা,
গোলাম আজম থেকে ইয়াহিয়াদের
হত্যা-নির্যাতন-জেল-জুলুম আর
অভিনব অত্যাচারের এক ভয়ংকর
প্রতিবাদ ছিলে তুমি।
গনমঞ্চে তোমার আগমন
মুর্হূমুর্হূ করতালি আর
রিভলভিং চেয়ারের পা গুলো
ঠকঠক করে কেঁপে উঠে
স্বাগত জানাতো তোমাকে।
তোমার আপোষহীন দুঃসাহসী নেতৃত্ব
দেশ ও বর্ণহীন বাঙ্গালী জাতির
স্বাধীনতা অর্জন।
স্বাধীনতা উত্তর
উনসত্তর থেকে একাত্তর
রক্ত পিপাষু পাকিস্থানীদের সাথে
বাঙ্গালীর যুদ্ধ-ই আমাদের অহংকার।
অতপরঃ একাত্তরে ত্রিশ লক্ষ মানুষের শহীদান
আর দু-লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে
অর্জিত হলো স্বাধীনতা-
আজকের বাংলাদেশ।
হে পিতা,
একাত্তর পরবর্তী ঘাতক দলের বুলেটে বিদ্ধ-
রক্তাক্ত তুমি আর তোমার পরিবার,
আজ তুমি নেই সময় কাটে না
পুরোয় না দিন,
মনে হয় মুহুর্তকাল গেছে থেমে।
হে বঙ্গবন্ধু,
তুমি কি জানো ?
তোমাকে হারানোর যন্ত্রণা নিয়ে
কতকাল পেরিয়ে গেলো আমাদের,
আজ তুমি নেই-
তোমার স্থৃতিকে আঁকড়ে ধরে
ছাঁদহীন ঘরের বারান্দায় ক্ষুধার্ত অবসন্ন দেহে
সময় কাঁটে একাকী।
হে পিতা,
তুমি কি জানো ?
আজো তোমার শোকে শোকাহত
বিশ্বজাতি আর বাংলার কোটি কোটি
নীরিহ কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ।
জাতির ক্লান্তি লগ্নে তোমার রেখে যাওয়া
অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল,
স্বপ্নের স্বাধীন সোনার বাংলা আজ
বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে।
সমাপ্ত————
Leave a Reply